বিয়েটা ডট কমে পাত্র-পাত্রীর ফোন নাম্বার পেতে একটু বেশি সময় লাগে

আমাদের বিয়েটা ডট কমের ইউজারদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ এই কথাটি। আমরাও স্বীকার করছি। কারণ প্রথমে সম্পূর্ন বায়ো-ডাটা দেখার অনুরোধ, পরে যোগাযোগের অনুরোধ অর্থাৎ ২ টি অনুরোধ গৃহীত হলে এই ফোন নাম্বার, ঠিকানা পাওয়া যায়। আর এতে অনেক সময় লেগে যায়।

 

কেউ পেমেন্ট করলেই মনে করে এখনই সব কিছু পেয়ে যাবে বিশেষ করে ফোন নাম্বার। আর দ্রুত না পাওয়াতে মন খারাপ হয়ে যায়, সিস্টেমকে অর্থাৎ বিয়েটা ডট কমকে দোষারোপ করতে থাকেন।

এখন বলি, সিস্টেমে কি সমস্যা। আসলে বিয়েটা ডট কমে পাত্রী বা পাত্র পক্ষকে সম্পূর্ণ অধিকার দেওয়া হয়েছে অনুরোধ গ্রহণ করা না করার।

 

এই কারণে পাত্রী বা পাত্র পক্ষ বুঝে শুনে অনুরোধ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এক্ষেত্রে বিয়েটা ডট কম থেকে কোন চাপ দেওয়া হয়না। তবে,পাঠানোর সাথে সাথে অনুরোধ চলে যায়, পাত্রী বা পাত্র পক্ষের দেওয়া  ই-মেইল আইডিতে মেইল চলে যায়। এরপরে অপেক্ষা শুরু হয় তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার। এই সিদ্ধান্ত অনেকেই দ্রুত নেন, আবার কেউ দেরি করেন। যারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তাদের বিয়েও তাড়াতাড়ি হয়ে যায়। আর যারা সিদ্ধান্ত নিতে দেরী করেন, তাদের বিয়েতে দেরী হয়।

 

আমরা বিয়েটা ডট কম থেকে গ্রাহকদেরকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে। কারণ, বিয়ে আসলে তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।   

 

আর গ্রাহকদেরকে বলছি, চিন্তা ভাবনা করে দেখে, বুঝে সিদ্ধান্ত নিয়ে অনুরোধ গ্রহণ করলেইতো ভাল। আর যদি টাকা পেমেন্ট করেই ফোন নাম্বার পেয়ে যান কোন পাত্রীর অথচ সে আপনার সম্পর্কে কিছুই জানেনা, তাহলে, সেই নাম্বার দ্রুত পেয়েও আপনার তেমন লাভ হবেনা। কারণ, সে খুব সহজেই আপনাকে না করে দিতে পারেন বা বিরক্তও হতে পারেন।

অন্যদিকে আপনার টাকা কেটে নেওয়া হবে। কিন্তু ফলাফল কিছুই হলনা। তাই সিদ্ধান্ত নিতে সময় দিন।

 

এক দিনের মধ্যে দুইটি অনুরোধ গৃহীত হয়েছে, যোগাযোগ হয়েছে আর অল্প সময়ের মধ্যে বিয়ে হয়েছে- এরকম উদাহরণও কিন্তু আছে।

 

এই দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন ভুমিকা যেমন আমাদের নেই, ঠিক তেমনি দেরী হওয়ার পিছনেও আমাদের কোন ভুমিকা নেই। তারপরেও আমরা আপনাদের অভিযোগ আনন্দের সাথে গ্রহণ করছি, করবো ইনশাআল্লাহ। 

 

অধিকাংশ ইউজার নেট ব্যবহারে অভ্যস্ত নয়। প্রতিদিন প্রোফাইল চেক করতে হয়- এ ব্যাপারে শুরুতেই আমরা কল করে বিস্তারিত বলে দেই। আবার অভিনন্দন পত্র পাঠাই, সেখানেও নিয়ম কানুন জানিয়ে দেই। 

 

কেউ যদি বিয়ে করে ফেলেন বা আগ্রহী না থাকেন তাদেরকে নিজের প্রোফাইল বন্ধ করার কথা বলে দেই। এরপরেও অনেকে বিয়ে হলেও প্রোফাইল বন্ধ করেননা। ফলে তাকেও অনুরোধ পাঠায়, আর অনুরোধ গ্রহণ না করাতে কথা শুনতে হয় আমাদের।

বিয়ে হলেই প্রোফাইল বন্ধ করে দিবেন বা কোন সমস্যা হলে আমাদের জানাবেন।  আর প্রতিদিন প্রোফাইল চেক করবেন, কাউকে পছন্দ হলে অনুরোধ গ্রহণ করুন, নাহলে প্রত্যাখান করুন। 

 

ভরসা রাখুন বিয়েটা ডট কমের উপর, কল করুন হেল্পলাইনে। প্রাণ খুলে অভিযোগ করুন, পরামর্শ দিন আমাদেরকে। 

Share on

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.