খুঁজুন। বিয়ে করুন। ভালবাসুন। আজীবন।

Landing page down arrow

কিভাবে আপনি জীবনসঙ্গী খুঁজবেন?

  • tick markরেজিস্টার করুন নিজের বা পরিচিতজনের জন্য
  • tick markআপনার সকল তথ্য দিন
  • tick markসবগুলো ঘর ভালোভাবে পূরণ করুন
  • tick markকার্ড বা বিকাশে পে করুন
  • tick markপাত্র/পাত্রী খুঁজুন
  • tick markসম্পূর্ণ বায়োডাটা দেখার অনুরোধ করুন
  • tick markযোগাযোগের অনুরোধ করুন
  • tick markমেসেজ পাঠান
  • tick markদেখা করুন এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত নিন

আমাদের সেবাসমূহ

Our-Services-icon-1-logo

সপ্তাহে ৭ দিন গ্রাহক সেবা

আমরা সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত গ্রাহক সেবা দিয়ে থাকি। আমাদের সাথে আপনারা ইমেইল, ফোন অথবা ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা চেষ্টা করি সকল সমস্যার সহজ এবং দ্রুত সমাধান করতে।

Our-Services-icon-2-logo

বিশেষ পরামর্শ

আমরা গ্রাহকদের আরও সুন্দরভাবে কিভাবে প্রোফাইলটি উপস্থাপন করতে পারে সে ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে থাকি। প্রিমিয়াম গ্রাহকদের চাহিদা সাপেক্ষে তাদের পছন্দের পাত্র বা পাত্রী খুঁজতে সাহায্য করে থাকি।

Our-Services-icon-3-logo

ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে সহযোগীতা

আমাদের ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে গ্রাহক আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। যেকোনো ধরণের সমস্যা অথবা যেকোনো ধরনের প্রশ্নের উত্তর আমরা দিয়ে থাকি। এছাড়াও আমরা ফেসবুক পেইজে কিছু পাত্র বা পাত্রীর নিজের সম্পর্কে কিছু কথা পোস্ট করে থাকি।

Our-Services-icon-4-logo

গোপনীয়তা ও বিশ্বস্ততার নিশ্চয়তা

আপনার অনুমতি ছাড়া ছবি, আসল নাম ও পূর্ণ প্রোফাইল কেউ দেখতে পারবে না। দুই ধাপে অনুমতি দেয়ার পরে গ্রাহক আপনার যোগাযোগের তথ্য পাবে। আমরা প্রত্যেকের মোবাইল নম্বর ভেরিফাই করি। আপনার অভিযোগ বা সন্দেহজনক তথ্য পেলে নিয়ম অনুযায়ী পদক্ষেপ নেই।

সফল বিয়ের গল্প

আপনার প্ল্যান নির্বাচন করুন

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
প্রযোজ্য নয়
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
Cross icon
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
Cross icon
বায়োডাটা ডাউনলোড
Cross icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Cross icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Cross icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Cross icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
১ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
৩ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
২৫
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
৬ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
৬০
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
* অফার ১০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে

ব্লগ

ওয়ালিমা কী, কেন করতে হবে?

blog-image-1
বিয়ে আমাদের জীবনে অতীব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আর বিয়ের মধ্যে যত সামাজিকতা বা জরুরী বিষয় আছে ওয়ালিমা তাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিয়ের পর ছেলের পক্ষে আত্বীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাংখী ও গরীব মিসকীনদের তৌফিক অনুযায়ী আপ্যায়ন করাকে ইসলামী পরিভাষায় ওয়ালিমা বলে। আমাদের সমাজে বা বাংলা ভাষায় যাকে বৌভাত বলে। বিয়ের পরদিন বা সুবিধামত সময়ে ওয়ালিমা করা যেতে পারে। তবে তিন দিনের মধ্যে হওয়া উত্তম। ওয়ালিমার ব্যপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশ কি ছিল? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে ওয়ালিমা করতে বলেছেন। আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুর রহমান ইবনু আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর গায়ে হলদে চি‎হ্ন দেখতে পেয়ে বললেন, কি ব্যাপার? তিনি বললেন, খেজুর বিচির পরিমাণ সোনার মোহরের বিনিময়ে আমি এক মহিলাকে বিয়ে করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আল্লাহ্ তোমাকে বরকত দান করুন। ওয়ালিমা কর, একটি বকরী দ্বারা হলেও।” (বুখারী: ১০৯৪) অতএব আমরা বুঝতে পারলাম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে বিয়ের পর ওয়ালিমা করতে উৎসাহিত করছেন। বাসর রাতের পরদিন ওয়ালিমা করা সুন্নাতঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জয়নাব বিনতে জাহাশ (রাঃ) এর সাথে বাসর রাত অতিবাহিত করার পর ওয়ালিমা করেছিলেন। (বুখারী:৫১৭০) তবে তিন দিন পর্যন্তও বিলম্বিত করা যায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছাফিয়া (রাঃ) কে বিবাহের পর তিন দিন পর্যন্ত ওয়ালিমা খাইয়ে ছিলেন। (মুসনাদে আবু ইয়ালা:৩৮৩৪) ওয়ালিমা করতে হবে সামর্থ্য অনুযায়ীঃ ওয়ালিমায় প্রচুর খরচ করতে হবে এবং খুব সুস্বাদু এবং দামী খাবার পরিবেশন করতেই হবে এরূপ জরুরী নয়। বরং যে বিয়েতে কম খরচ হয় সেই বিয়েকে বরকতময় বলা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “নিশ্চয়ই সে বিয়ে বেশি বরকতময়, যে বিয়েতে খরচ কম হয়।” (মুসনাদে আহমাদ) কিন্তু আমাদের বর্তমান সমাজে এই সুন্নাত ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। প্রতিযোগিতা করে বিয়েতে খরচ করা হয়। অতিরিক্ত জাঁকজমক এবং অপচয় করা হয় যা সুন্নাত বিরোধী। তবে সামর্থ্য থাকলে কেউ ওয়ালিমায় অনেক খরচ করতেও পারে। যেমন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জয়নাব বিনতে জাহাশ (রাঃ) এর সাথে বিয়ের ওয়ালিমায় অনেক বেশি রুটি গোস্ত দ্বারা তৃপ্তি সহকারে সাহাবাদেরকে খাওয়াইয়েছিলেন। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) বলেন, রাসুলুলাহ (সাঃ) যখন জয়নব বিনতে জাহাশ (রাঃ) কে বিয়ে করলেন, তখন ওয়ালিমা করালেন এবং মানুষকে রুটি গোস্ত দ্বারা তৃপ্তি সহকারে খাওয়ালেন।” (বুখারীঃ ৪৭৯৪) কিন্তু এসব বিয়েতে না ছিল কোন অপব্যয় বা অপচয়। আবার, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুব সাধারণ খাবার দিয়েও ওয়ালিমা করেছিলেন। যেমন তিনি যখন সাফিয়া (রাঃ) কে বিয়ে করেন তখন ওয়ালিমা করেছিলেন খুব সাধারণ খাবার দিয়ে। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) বলেন, খায়বার থেকে ফিরে আসার সময় রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার এবং মদীনার মধ্যস্থলে তিন দিন অবস্থান করলেন এবং ছাফিয়া (রাঃ) কে সেখানে নিয়ে যাওয়া হল। তিনি ওয়ালিমার ব্যবস্থা করলেন আর আমি মুসলিমদের তাঁর ওয়ালিমার জন্য দাওয়াত করলাম। এই ওয়ালিমায় রুটি গোশত কিছুই ছিলনা। এই ওয়ালীমার জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চামড়ার দস্তরখান বিছানোর আদেশ করলেন। অতঃপর এই দস্তরখানের উপর খেজুর, পনির ও ঘি ঢেলে দেওয়া হল। (বুখারীঃ৫৩৮৭, মিশকাতঃ ৩২১৪) বিয়ে সংক্রান্ত আরো কিছু জরুরী বিষয়ঃ এছাড়া বিয়ে সংক্রান্ত আরো অনেক সুন্নাত আছে। যেমন বিয়ে হতে হবে অনাড়ম্বর ও সাদাসিধে। অপব্যয়, অপচয় ও বিজাতীয় সংস্কৃতিমুক্ত হওয়া, যৌতুকের শর্ত না থাকা এবং সামর্থ্যের অধিক দেনমোহর ধার্য না করা বা শর্ত না দেওয়া। (আবু দাউদঃ ২১০৬) কনে পক্ষে থেকে অলংকারের শর্ত করা নিষেধ আর ছেলের পক্ষ থেকে যৌতুক চাওয়া হারাম। (আহসানুল ফাতওয়া, খন্ড-৫, পৃষ্ঠা-১৭) ওয়ালিমা এর দাওয়াতে উপস্থিত হওয়া উচিৎ কিনা? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই প্রসঙ্গে বলেন, “তোমাদেরকে যদি দাওয়াত করা হয় তাতে আসবে”- (তিরমিজিঃ১০৯৮) অর্থাৎ ওয়ালিমার দাওয়াত পেলে উপস্থিত হওয়া ওয়াজিব। তবে বর্তমান জামানায় যেভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানে সুন্নাত বিরোধী কাজ করা হয় তাতে আপত্তি আসছে এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার ব্যাপারে। ইবনে উছাইমান (রঃ) বলেন, আলেমগন বলেন, বিয়ের প্রথম দাওয়াত কবুল করা ওয়াজিব। অর্থাৎ প্রথম ওয়ালিমায়। যদি নিমন্ত্রনকারী কিম্বা তাঁর প্রতিনিধি কিম্বা কার্ড প্রদান করে নির্দিস্ট কোন ব্যক্তিকে দাওয়াত প্রদান করা হয়। তবে শর্ত হচ্ছে- এ অনুষ্ঠানে যেন শরিয়াত গর্হিত কোন কিছু না থাকে। আর যদি এ অনুষ্ঠানে শরিয়াত গর্হিত কোন কিছু থাকে তাহলে এর হুকুম ব্যাখ্যা সাপেক্ষঃ যদি ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে এই গর্হিত কাজে নিষেধ করা সম্ভবপর হয় তাহলে এ ব্যক্তির জন্য উপস্থিত হওয়া ওয়াজিব। আর যদি উপস্থিত হয়ে এ কাজে বাধা প্রদান সম্ভব না হয় তাহলে তাঁর জন্য এখানে উপস্থিত হওয়া নাজায়েজ। (islamicqa.info ) বিনা দাওয়াতে ওয়ালীমা খেতে আসা যাবে কী? বিনা দাওয়াতে ওয়ালিমা এর খানা খাওয়া যাবেনা। আবূ মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ শুআয়ব নামে এক ব্যক্তি তার গোশত ওয়ালা গোলামকে গিয়ে বলল, পাঁচ জনের জন্য যথেষ্ট হয় সে পরিমাণ খাবার তৈরী কর। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন (দাওয়াতে যাওয়ার জন্য) উঠলেন তখন এক ব্যক্তি যে দাওয়াত করার সময় তাদের সঙ্গে ছিল না, তাদের পিছনে পিছনে চলল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তার দরজায় এসে পৌঁছেলেন, তখন বাড়ীওয়ালাকে বললেন, একজন লোক আমাদের অনুসরণ করেছে, যে দাওয়াতের সময় আমাদের সঙ্গে ছিলনা। এখন যদি অনুমতি দাও তবে সে প্রবেশ করতে পারে। আবূ শুআয়ব বললেন, আমি তাকে অনুমতি দিলাম, সে প্রবেশ করুক। ( তিরমিজিঃ ১০৯৯, আল মাদানী প্রকাশনী) ওয়ালিমা কার পক্ষ থেকে হবে? ওয়ালিমা হবে ছেলের পক্ষ থেকে। আর কনের পক্ষ থেকে যে ওয়ালিমা এর আয়োজন করা হয় তা শরিয়াত সম্মত নয়। বিয়েতে মেয়ের পক্ষ থেকে কোনরূপ খরচ করার কথা নয়। তবে যেটা মেয়ের পক্ষ থেকে করে থাকেন তা সৌজন্যমুলক আপ্যায়ন মাত্র। শর্ত দিয়ে, বর যাত্রীর সংখ্যা বাড়িয়ে কনে পক্ষের উপর যে খরচের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয় যা সম্পূর্ণ কুপ্রথা ও অবশ্যই বর্জনীয়।   ওয়ালিমাতে উপহার বা হাদিয়া প্রদানঃ উপহার বা হাদিয়া দেওয়া বা নেওয়া উভয়ই সুন্নাত। কোন প্রকার শর্ত ছাড়া, স্বার্থ বিবেচনা না করে কার প্রতি অনুরাগী হয়ে যে দান বা উপঢৌকন প্রদান করা হয় তাকেই উপহার বা হাদিয়া বলে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিয়া প্রদান করতে উৎসাহিত করেছেন। “তোমরা হাদিয়া দাও, তোমাদের মধ্যে প্রীতির বন্ধন দৃঢ় হবে।”- তিরমিজি। হাদিয়া বা উপহার দেওয়ার জন্য বিশেষ কোন অনুষ্ঠান জরুরী নয়। যেকোন সময়, যে কাউকে হাদিয়া দেওয়া যেতে পারে। আবার হাদিয়া কোন ঋণ বা পাওনা নয়। অর্থাৎ হাদিয়া সাধ্য না হলেও কস্ট করে দিতেই হবে বা হাদিয়া না থাকলে বা না দিলে অনুষ্ঠানে যাওয়া যাবেনা আসলে ব্যপারটা এরূপ নয়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, উত্তম বাক্য ও ক্ষমা প্রার্থনা ঐ দান অপেক্ষা শ্রেয়তর, যে দানের পর কষ্ট অনুগামী হয়। (সুরা বাকারাঃ ২৬৩) যিনি দাওয়াত প্রদান করেছেন তিনি যেন মনে না করেন যে মেহমানকে যেহেতু দাওয়াত দিয়েছি তাই তাঁর সাধ্য থাক আর না থাক হাদিয়া দিতেই হবে। কেউ যদি হাদিয়া ছাড়া অনুষ্ঠানে বা কারো কাছে যায় তাহলেও ঐ মেহমানকেও সম্মান করতে হবে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে আল্লাহ এবং আখিরাতের উপর ঈমান রাখে সে যেন তাঁর মেহমানকে সম্মান করে।”- তিরমিজি। অতএব আমরা এই আলোচনা থেকে জানতে পারলাম বিয়েতে ওয়ালিমা করতে হবে সাদাসিধাভাবে, তবে সাধ্য থাকলে ভাল খাবার এর আয়োজন করলে তাতে দোষের কিছু নেই, তবে অপব্যয়, অপচয় করা যাবেনা। বিজাতীয়, অপসংস্কৃতি, শরিয়াত বিরোধী কোন কিছু করা যাবেনা। ওয়ালিমা হবে ছেলের পক্ষ থেকে। ওয়ালিমা বিয়ের একটি জরুরী অংশ। আমাদেরকে বিয়েতে ওয়ালিমা করতে হবে। ওয়ালিমা এর ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে নির্দেশনা দিয়েছেন সেগুলো মেনে চলার চেষ্টা করতে হবে।

বিয়েটাকে ব্যবহার করে বিয়ে এবং কিছু পরামর্শ

blog-image-2
বিয়েটা ডট কমে অনেক আগ্রহ নিয়ে রেজিস্ট্রেশন করার পর মনমত কোন রেসপন্স না পেয়ে অনেকেই আর প্রোফাইলে লগইন করেন না। আর নিজে নিজে মন্তব্য করেন যে, আমার পছন্দমত কোন পাত্র বা পাত্রীকে খুঁজে পেলাম না । অথচ বন্ধু বা বান্ধবীদের কাছে অনেক সুনাম শুনে তারা বিয়েটাতে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন বা পেমেন্ট করেছিলেন কিন্তু সঠিক নির্দেশনা না পাওয়ার কারনে তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। এই লিখা থেকে আমরা কয়েকজন সফল দম্পতির সফলভাবে বিয়েটাকে ব্যবহার করে সফল হওয়ার গল্প শুনবো এবং বিয়েটা ডট কমের এডমিনের পক্ষ থেকে কিছু পরামর্শ জানবো যাতে আমরাও সফল হতে পারি। প্রথমেই আমরা বিয়েটাকে ব্যবহার করে যারা সফল হয়েছিলেন তাদের মধ্যে মনি ও শুভ দম্পতি এর বিয়েটা ব্যবহারের গল্প শুনবো। সফল ইউজার (১) শুভ বিয়েটাতে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন তাঁর কয়েকজন বন্ধুর পরামর্শে। তিনি রেজিস্ট্রেশন এর পর কিছুদিন তেমন কিছু বুঝতে পারছিলেননা যে কিভাবে অপারেট করবেন। একদিন বিয়েটার হেল্প লাইন থেকে উনি জেনে নিলেন যে কিভাবে অনুরোধ পাঠাতে হয়, কিভাবে ফার্স্ট পেজে সব সময় থাকবেন ইত্যাদি। এরপর প্রতিদিন তিনি কিছু সময় বিয়েটার পিছনে ব্যয় করতে লাগলেন। কয়েকটি পাত্রীর প্রোফাইল তিনি দেখতে পারছিলেন। তাদেরকে পছন্দও হয়েছিল। তাই তিনি একটি প্লান পার্চেস করে অনুরোধ পাঠানো শুরু করলেন। এরপর উনি ভেবেছিলনে যে সাথে সাথেই হয়তো কোন পাত্রী পক্ষ রেসপন্স করবেন। কিন্তু উনাকে রেসপন্স পেতে কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়েছিল। এভাবে কয়েক জন পাত্রীর সাথে উনি কথাও বললেন। কিন্তু তেমন পজিটিভ মনে হলনা। কয়েকজন পাত্রী উনাকেও অনুরোধ পাঠান কিন্তু তাদের দেশের বাড়ি, বয়স আর উচ্চতা পছন্দ না হওয়াতে তিনি তাদের অনুরোধ গ্রহণ করেননি। এর পর এই প্লানের মেয়াদ শেষ হলে উনি আবার আপগ্রেড করেন এবং নতুন করে আবার অনুরোধ পাঠাতে শুরু করেন। অন্য দিকে মনি বিয়েটাতে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন শুধুমাত্র শখের বসে। কারণ তিনি তেমন আগ্রহী ছিলেন না। তবে উনার এক বোনের একটি প্রোফাইল ছিল বিয়েটাতে এবং তাঁর বিয়ের জন্য সবাই আগ্রহী ছিল। তাকে সহযোগিতা করার জন্য উনি নিজে প্রোফাইল ওপেন করেছিলেন। মনি একদিন দেখলেন যে তাকে অনেকেই অনুরোধ পাঠিয়েছে। কিন্তু উনি খুব চিন্তা ভাবনা করে অবশেষ শুভ এর অনুরোধটি গ্রহণ করেন। আর যাদেরটা পছন্দ হয়নি তাদের অনুরোধ গ্রহণ করেননি। এরপর কথা বার্তা শুরু হয় শুভ এবং মনির। দুজনের পছন্দ ও অপছন্দের অনেক কিছুই মিলে যাবার পর উনারা নিজ নিজ পরিবারকে জানান। প্রথম দিকে উভয় পরিবারের কেউ রাজি ছিলনা। কিন্তু উভয়ের আগ্রহ দেখে পরিবার এর সবাই ব্যপারটিকে গুরত্ব দেয়। শুভ অফিসে একদিন দেখা করতে আসে মনি এর পরিবারের একজন। এরপর কথা শুরু পারিবারিকভাবে। উভয় পক্ষের মতামত এর ভিত্তিতে দেখাশুনা পর্ব শেষ করে একদিন তাদের বিয়ে হয়ে যায়। এরপর বিয়েটা থেকে বিদায় নেওয়ার পালা। বিয়েটাতে একদিন লগ ইন করে একাউন্টস সেটিং অপশনে ক্লিক করে “একাউন্টস বন্ধ করুন” এ ক্লিক করেন আর এরপর মন্তব্য এর বক্সে বিয়েটার সুনাম করে বিদায় নেন এই শুভ এবং মনি দম্পতি। সফল ইউজার (২): বিয়ের বয়স হয়ে গিয়েছিল আরিফ হোসেন জাকি এর। কোনভাবেই তিনি কোন পাত্রী এর সাথে নিজের কোন পছন্দের মিল খুঁজে না পেয়ে অবশেষে বিয়েটাতে রেজিস্ট্রেশন করেন। রেজিস্ট্রেশন করার পর তিনি ভালভাবে নিয়ম কানুন জেনে নেন বিয়েটার হেল্পলাইনে কল করে। তিনি কিছুদিন ফ্রি ইউজার হিসাবে একটিভ থাকেন এবং তিনি বিভিন্ন প্রোফাইল দেখতে থাকেন। একদিন তিনি একটি প্ল্যান পার্চেস করে বেশ কয়েকটি অনুরোধ পাঠান।অনুরোধ পাঠানোর প্রায় দু- এক সপ্তাহের মধ্যে কোন রেসপন্স আসেনি। তবে উনি নিরাশ হননি।এভাবে কয়েক মাস কাটার পর আরিফ একদিন পাপিয়া এর প্রোফাইল দেখতে পান। ভালভাবে পুরো প্রোফাইল দেখে তিনি একদিন পাপিয়াকে অনুরোধ পাঠান।কয়েক দিন পর তিনি একদিন প্রোফাইলে লগ ইন করে দেখতে পারেন যে পাপিয়া তাঁর অনুরোধটি গ্রহণ করেছেন।এরপর কথা বলে, পারিবারিকভাবে জানিয়ে তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এভাবে বিয়েটার মাধ্যমে বেশ কয়েকটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন আমরা বিয়েটার এডমিন থেকে সফলভাবে পাত্র- পাত্রী খোঁজ করার জন্য কিছু পরামর্শ জানব- পরামর্শ- ১ঃ আপনি যদি সত্যিকারে বিয়ের জন্য আগ্রহী হয়ে থাকেন তবেই কেবল রেজিস্ট্রেশন করুন অন্যথায় সময় নস্ট করবেন না। অন্যকে বিরক্ত করবেন না। পরামর্শ-২ঃ রেজিস্ট্রেশন এর সময় একটু সময় নিয়ে ভালভাবে রেজিস্ট্রেশন করুন। ছবি, পিতার নাম, কর্মস্থল বা পেশা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, নিজের ঠিকানা ও পছন্দের ব্যাপারে স্পষ্ট এবং সঠিক তথ্য দিবেন। পরামর্শ-৩ঃ নিজের মোবাইল নাম্বার, মেইল আইডি ইত্যাদি যোগাযোগের যেকোন মাধ্যম যা আপনি নিয়মিত ব্যবহার করেন এমনটি প্রদান করবেন। যে মেইল এড্রেস বা ফোন নাম্বার বা যোগাযোগ মাধ্যম আপনি নিয়মিত ব্যবহার করেন না সেটি প্রদান করবেন না। পরামর্শ- ৪ঃ রেজিস্ট্রেশন কমপ্লিট হয়ে গেলে আপনি পাত্র/ পাত্রীর প্রোফাইল দেখতে পারবেন। একইভাবে আপনার প্রোফাইলটিও পাত্র/ পাত্রী যাদের সাথে মিলে যাবে তারা দেখতে পারবে। পরামর্শ- ৫ঃ প্রতিদিন কিছু সময় দিন বিয়েটার ওয়েবসাইটে। যদি আপনি প্রতিদিন সময় না দেন তাহলে আপনার প্রোফাইলটি প্রথম পেজ থেকে ধীরে ধীরে সরে যাবে। অর্থাৎ কোন ইউজার প্রোফাইলে লগ ইন করলেই আর আপনার প্রোফাইল দেখতে পারবেনা। ঐ ইউজারকে আপনার প্রোফাইল দেখতে হলে আর ও বেশি স্ক্রল করতে হবে। পরামর্শ- ৬ঃ কয়েকদিন বিয়েটার ওয়েবসাইটটি ভালভাবে দেখে, বুঝে তারপর কাউকে অনুরোধ পাঠাতে চাইলে তখন পেমেন্ট করুন। পরামর্শ- ৭ঃ প্রথমে সিলভার প্যাকেজটি নিয়ে দেখতে পারেন তবে আমরা আপনাকে গোল্ড প্যাকেজটি নিতে বলবো। কারণ ঐ প্যাকেজে তিন মাস সময় পাওয়া যায় আর ২৫ জনকে যোগাযোগের অনুরোধ পাঠাতে পারবেন। আর এতে একটি ভাল সিদ্ধান্তে আপনি পৌছাতে পারবেন। পরামর্শ- ৮ঃ কাউকে অনুরোধ পাঠানোর পুর্বে একটু চিন্তাভাবনা করুন। যদি ঐ ইউজার আপনার অনুরোধটি গ্রহণ করে তখন কি করবেন, সে যেসব তথ্য দিয়েছে সেগুলো কি আসলেই ঠিক, যদি ঠিক থাকে তবে কি করবেন ইত্যাদি। পরামর্শ- ৯ঃ কারো অনুরোধ গ্রহণ করার ব্যাপারেও একটি চিন্তা ভাবনা করুন। যদি তাঁর তথ্য ঠিক থাকে তবে অন্তত তাঁর সাথে কথা বলা এবং দেখা করার মত মনমানসিকতা যদি থাকে তবেই তাঁর অনুরোধ গ্রহণ করবেন। পরামর্শ- ১০ঃ কোন ইউজার এর সাথে প্রাথমিক পরিচয়ে যদি পজিটিভ মনে হয়, তাহলে নিজ পরিবার এর অন্যান্য সদস্যদেরকে জানিয়ে দিন। ভালভাবে খোঁজ খবর নিয়ে আরও পজিটিভ মনে হলে দেখা করার সিদ্ধান্ত নিন অন্যথায় স্পস্ট ভাবে জানিয়ে দিবেন যে আমরা আর আপনার সাথে যোগাযোগ করতে আগ্রহী নই। পরামর্শ- ১১ঃ বিয়ের জন্য সময় এবং পেমেন্ট এর বাজেট করুন। বিয়ের জন্য আপনাকে সময় দিতে হবে, কমপক্ষে ৬ মাস বা ১ বছর সময় নিলে ভাল হয়। তবে একেক জন এর প্রয়োজন একেক রকমও হতে পারে। আর দু-একটি পেমেন্ট করেই কোন ভাল রেজাল্ট না হলে আপগ্রেড করা বন্ধ করবেন না। কারণ বিয়ের পাত্র/ পাত্রী সিলেক্ট করতে আপনাকে সময় দিতে হবে, পাশাপাশি পেমেন্ট করে চেষ্টাও চালিয়ে যেতে হবে। পরামর্শ- ১২ঃ কাউকে অনুরোধ পাঠানোর পর রেসপন্স না পেলেও সবর করতে হবে। ইন্টারনেটের ব্যবহার অনেকেই ভালভাবে জানেন না। আবার পর্যাপ্ত নেট কানেকশন সব জায়গায় সবসময় থাকেনা। এছাড়া ব্যস্ততার কারনে সবাই ওয়েবসাইটে সময় দিতে পারেন না। এসব কারনে রেসপন্স না পেলে হতাশ হবেন না। পরামর্শ- ১৩ঃ বিদেশে বসবাসকারী পাত্র/ পাত্রী দেখতে চাইলে কি করবেন? হ্যাঁ বিদেশে বসবাসকারী পাত্র/ পাত্রী দেখতে চাইলে যেকোন ব্রাউজার দিয়ে বিয়েটার ওয়েবসাইটে লগ ইন করতে হবে। মোবাইল অ্যাপ দিয়ে বর্তমানে খুঁজে পাওয়া যাবেনা। ওয়েবসাইটে লগ ইন করে দেশে/বিদেশে এর জায়গায় বিদেশ ক্লিক করবেন তাহলে যারা বিদেশে অবস্থান করছেন তাদের প্রোফাইল দেখতে পারবেন। পরামর্শ- ১৪ঃ বিয়েটা ব্যবহার করে বিয়ে হয়ে গেলে পরবর্তীতে কোন পেমেন্ট করতে হবে না। অনেকেই মনে করেন যে বিয়েটার মাধ্যমে বিয়ে হয়ে গেলে পরে কি কোন পেমেন্ট করতেই হয় কিনা এই সন্দেহে বিয়ের পর অনেকেই একাউন্ট অফ করার সময় বিয়েটার মাধ্যমে বিয়ে হয়েছে তা উল্লেখ করতে চান না। অথচ, বিয়েটার মাধ্যমে বিয়ে হলে কোন পেমেন্ট করতে হয়না বরং বিয়েটা থেকে ঐ দম্পতিকে উপহার দেওয়া হয়। পরামর্শ- ১৫ঃ কাউকে অনুরোধ পাঠানোর পুর্বে তাঁর প্রোফাইল দেখুন, সে কত দিন আগে লগ ইন করেছিল তা চেক করে দেখুন, তারপর অনুরোধ পাঠান। এছাড়া এই বিষয়ে  আর জানতে পড়ুন।  আপনার নিজের কোন পরামর্শ থাকলে দয়া করে কমেন্ট বক্সে জানাবেন।