খুঁজুন। বিয়ে করুন। ভালবাসুন। আজীবন।

Landing page down arrow

কিভাবে আপনি জীবনসঙ্গী খুঁজবেন?

  • tick markরেজিস্টার করুন নিজের বা পরিচিতজনের জন্য
  • tick markআপনার সকল তথ্য দিন
  • tick markসবগুলো ঘর ভালোভাবে পূরণ করুন
  • tick markকার্ড বা বিকাশে পে করুন
  • tick markপাত্র/পাত্রী খুঁজুন
  • tick markসম্পূর্ণ বায়োডাটা দেখার অনুরোধ করুন
  • tick markযোগাযোগের অনুরোধ করুন
  • tick markমেসেজ পাঠান
  • tick markদেখা করুন এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত নিন

আমাদের সেবাসমূহ

Our-Services-icon-1-logo

সপ্তাহে ৭ দিন গ্রাহক সেবা

আমরা সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত গ্রাহক সেবা দিয়ে থাকি। আমাদের সাথে আপনারা ইমেইল, ফোন অথবা ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা চেষ্টা করি সকল সমস্যার সহজ এবং দ্রুত সমাধান করতে।

Our-Services-icon-2-logo

বিশেষ পরামর্শ

আমরা গ্রাহকদের আরও সুন্দরভাবে কিভাবে প্রোফাইলটি উপস্থাপন করতে পারে সে ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে থাকি। প্রিমিয়াম গ্রাহকদের চাহিদা সাপেক্ষে তাদের পছন্দের পাত্র বা পাত্রী খুঁজতে সাহায্য করে থাকি।

Our-Services-icon-3-logo

ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে সহযোগীতা

আমাদের ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে গ্রাহক আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। যেকোনো ধরণের সমস্যা অথবা যেকোনো ধরনের প্রশ্নের উত্তর আমরা দিয়ে থাকি। এছাড়াও আমরা ফেসবুক পেইজে কিছু পাত্র বা পাত্রীর নিজের সম্পর্কে কিছু কথা পোস্ট করে থাকি।

Our-Services-icon-4-logo

গোপনীয়তা ও বিশ্বস্ততার নিশ্চয়তা

আপনার অনুমতি ছাড়া ছবি, আসল নাম ও পূর্ণ প্রোফাইল কেউ দেখতে পারবে না। দুই ধাপে অনুমতি দেয়ার পরে গ্রাহক আপনার যোগাযোগের তথ্য পাবে। আমরা প্রত্যেকের মোবাইল নম্বর ভেরিফাই করি। আপনার অভিযোগ বা সন্দেহজনক তথ্য পেলে নিয়ম অনুযায়ী পদক্ষেপ নেই।

সফল বিয়ের গল্প

আপনার প্ল্যান নির্বাচন করুন

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
প্রযোজ্য নয়
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
Cross icon
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
Cross icon
বায়োডাটা ডাউনলোড
Cross icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Cross icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Cross icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Cross icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
১ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Cross icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
৩ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
২৫
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
৬ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
৬০
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon

ব্লগ

সফল দম্পতি হতে গড়ে তুলুন এই অভ্যেসগুলো

blog-image-1
বিয়ে প্রতিটি নারী এবং পুরুষের জীবনেই গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। বিয়ে একটি সামাজিক স্বীকৃতি যার মাধ্যমে একজন নারী ও একজন পুরুষ একসাথে জীবনের নতুন এক অধ্যায় শুরু করেন। বিয়ের আগের জীবন ও পরের দৈনন্দিন জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। প্রশ্ন হলো এই পরিবর্তন গুলোর সাথে তাল মিলিয়ে কিভাবে সফল দম্পতি হওয়া যায়? একজন পুরুষের অভ্যাস, রুচিবোধ ইত্যাদির সাথে নারীর রুচিবোধ ও অভ্যাসে সাধারণত বেশ কিছু অমিল থাকে। নারীরা বিয়ের আগে বাবা, বড় ভাই, মামা, চাচা বা অন্য কোন পুরুষের অধীনে থাকলেও তারা তাকে পুরাপুরি নিয়ন্ত্রণ করে না যেভাবে একজন স্বামী তার স্ত্রীকে নিয়ন্ত্রন করতে চায়। যেমন, বাবার অধীনে একজন মেয়ে জীবনের অনেক বড় একটি সময় কাটায়। এই সময়ে সে তেমন কোন সমস্যার সন্মুখীন হয়না। অধিকাংশ বাবা সহজেই তার মেয়ের সকল আবদার, দাবীকে মেনে নেয়। কিছুটা শাসন করলেও বাবার প্রতি মেয়েরা সাধারণত তেমন অভিযোগ, রাগ বা জিদ করেনা। বাবা তার সন্তান তথা মেয়েকে লালন পালনের ক্ষেত্রে নিজ স্ত্রীর সহযোগিতা পায় অর্থাৎ বাবার সকল চাহিদা কিন্তু মা মিটিয়ে থাকে। ফলে বাবার সাথে সন্তানের মানে মেয়ের ব্যপারটি হল বাবা তার মেয়ের কাছে থেকে কোন কিছু আশা করেনা শুধু দিতে চায়। ফলে বাবা হয়ে উঠে মেয়ের কাছে একজন আদর্শ পুরুষ। আর তখন থেকেই একজন মেয়ে আশা করতে থাকে বা স্বপ্ন দেখতে থাকে যে তার স্বামীও হবে তার বাবার মত এরকম একজন পুরুষ। কিন্তু যখন তার বিয়ে হয়ে যায় তখন সে স্বামীর দায়িত্বে চলে আসে। এই সময় তার রুচি, অভ্যাস ও জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন আনতে হয়। নতুন জীবনে যে যত দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে তার বিবাহিত জীবন তত দ্রুত সুখ ও শান্তিতে ভরে ওঠে। বাবা যেভাবে আদর করে সমস্যা সমাধান করে দিত; আপনার জীবনসঙ্গী আপনার সমস্যাকে বা আপনার পছন্দ-অপছন্দ বা মতামতকে সেভাবে প্রাধান্য নাও দিতে পারে। তাই কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনাকে মানিয়ে নিতে হবে অথবা তাকে ধৈর্য্য সহকারে বুঝিয়ে দিতে হবে আপনি তার কাছে কি প্রত্যাশা করেন। বাবা আপনার কাছে কিছু আশা করতেন না শুধু দিয়ে যেতেন। আর আপনাকে শিক্ষা দিতে চাইতেন কিন্তু আপনার স্বামী আপনার কাছে অনেক কিছু আশা করবে যা আপনাকে পূরণ করতে হবে।নিজের বাড়ি ছিল আপনার জন্য পাঠশালার মত আর স্বামীর ঘর কর্মস্থলের মত। স্বামীর বাড়িতে পারফর্মেন্স দেখাতে হবে বিশেষভাবে স্বামীর যত্ন নেওয়ার ব্যপারে। আর একজন ছেলে যে তার মাকে দেখেছে ছোট বেলা থেকে যে মা তার কত যত্ন নেয়। আর সে যখন বিয়ে করে সে তার স্ত্রীর কাছেও মায়ের মত যত্ন, আদর আর ভালবাসা আশা করে। কিন্তু মায়ের বিচক্ষণতা কখনও একজন স্ত্রী পেতে পারেনা। কারন মা তার ছেলের অভ্যাস, রুচিবোধ সম্পর্কে জানে যা একজন স্ত্রীর জানতে বা বুঝতে অনেক সময় লাগে। অপরদিকে মা তার প্রয়োজনীয় প্রায় সব কিছু সাধারণত পেয়ে থাকে বাবার কাছে থেকে। এজন্য মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্কে শুধু থাকে দেওয়া কোন কিছু পাওয়ার নয়। এজন্য মা খুব প্রিয় এক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠে প্রত্যেক সন্তানের কাছে। কিন্তু স্ত্রী যেহেতু সব কিছুই তার স্বামীর কাছে আশা করে তাই স্বামীও তার স্ত্রী এর কাছে পুরাপুরি আশা করে। যাই হোক স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মধ্যে ছাড় দেওয়ার মনমানসিকতা থাকতে হবে। তাহলে পরস্পরের মধ্যে সু-সম্পর্ক গড়ে উঠবে। দুটি মানুষের মানসিকতা বা চিন্তাধারা কখনোই এক হবে না। সুতরাং একসাথে থাকতে গেলে দুজনকেই কিছু ব্যাপারে সমঝোতা করে একে অপরের সহযোগীতা নিয়ে চলতে হবে। আসুন জেনে নিই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা টিপস যা আপনাদেরকে দাম্পত্য জীবনে সফল হতে সাহায্য করবে। তার মতামতকে প্রাধান্য দিনঃ বিবাহিত জীবনে প্রথম সমস্যাই হয় এই মতামতকে নিয়ে। আপনার মতামতের পাশাপাশি আপনার জীবনসংগীর মতামতকেও সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। যে কোন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে দুজনে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে আসতে হবে। নিজের মতামত অযৌক্তিকভাবে চাপিয়ে দেয়া যাবে না। তবে অবশ্যই একজন প্রধান সিদ্ধান্ত দাতা বা নেতৃত্বে থাকতে হবে। আর এক্ষেত্রে, স্বামীই এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। তবে স্বামী অবশ্যই তার স্ত্রী এর মতামত নিবেন। কিন্তু সিদ্ধান্তটা তিনিই নিবেন। হ্যাঁ কিছু ক্ষেত্রে স্ত্রীই নেতৃত্ব দিবেন যেমন রান্না-বান্না, ঘর গুছানো, সন্তান লালন-পালন এর মত পারিবারিক কাজ গুলি। তবে অবশ্যই স্বামীর মন বুঝে সে অনুযায়ী সবকিছু করবেন। নিজেকে সুন্দর পোশাকে উপস্থাপন করুনঃ আমরা অনেক সময় ঘরের বাইরে বের হলে সুন্দর ভাবে পরিপাটি হয়ে বের হই; অথচ নিজের স্ত্রী বা স্বামীর জন্য তেমন সাজগোজ করিনা। আপনার ভালবাসার মানুষটির সামনেও আপনার সুন্দরভাবে উপস্থিত হওয়া উচিৎ। এতে একে অপরের প্রতি ভালবাসা বাড়বে।     আপনার ভালবাসার মানুষটির প্রতি অবহেলা নয়, যত্নবান হোনঃ অবহেলা যে কোন সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার একটি অন্যতম কারণ। সুতরাং আপনার একান্ত আপন মানুষটির প্রতি যত্নবান হোন। আপনার কাজকর্মের মাধ্যমে তার প্রতি আপনার ভালবাসা প্রকাশ করুন। প্রতিদিন ভালবাসতে শিখুন। আপনার ঘরের ভিতরে থাকা ফুল গাছের টবে যেমন প্রতিদিন পানি দিতে হয়ে নইলে একদিন গাছটি মারা যাবে ঠিক তেমনি আপনার লাইফ পার্টনারকে প্রতিদিন ভালবাসুন। তাহলে ভালবাসার গাছটি দিনে দিনে বড় হয়ে উঠবে। স্পষ্টভাষী হোনঃ সন্দেহ হয় বা বুঝতে সমস্যা হয় এরকম কোন কথা বলা থেকে বিরত হতে হবে। স্বামী স্ত্রীর মাঝে কোন গোপনীয়তা থাকা উচিত নয়। কথা বলার সময় নিজ জীবনসঙ্গীকে যে আপনি ভালবাসেন বা তাকে সন্মান করছেন তা বুঝাতে হবে। সত্য কথা বলুন আর মিথ্যা একেবারেই বলবেন না। বিশ্বস্ত থাকুনঃ বিশ্বস্ততার কোন বিকল্প নেই। আপনার কাছে বিশ্বস্ততার আশ্বাস পেলে সেও আপনার প্রতি বিশ্বস্ত থাকবে। আমরা কেউই প্রিয়জনের কাছে প্রতারিত হতে চাই না। তাই নিজ স্বার্থেই তার প্রতি বিশ্বস্ত থাকুন। সন্দেহ খুব ক্ষতিকর জিনিস। সন্দেহ সম্পর্কের ক্ষতি করে। তাই যেকোন বিষয়ে সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিতে হবে। তবে অবশ্যই বিনয়ের সাথে বলতে হবে। আর বেশি সন্দেহ করাও ঠিক নয়। আর সকল বিষয় খোলামেলা আলোচনা করতে হবে, একে অপরের কাছে কোন কিছু লুকানো যাবে না। মনোমালিন্যঃ বিবাহিত জীবনে সব সময় যে আপনার সাথে মধুর ব্যবহার হবে, কখন তর্ক বা ঝগড়া লাগবেনা তা কিন্তু ঠিক নয়। বরং তর্ক বা ঝগড়া লাগবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই সব বিষয়কে দীর্ঘায়িত হতে দেওয়া যাবেনা। স্বামী বা স্ত্রীর বিবাহিত জীবনের আগে ঘটে যাওয়া কোন কথা বলে কস্ট দেওয়া যাবে না। ঝগড়ার সময় পুরনো কথা বলবেন না। আমরা অন্যের কথাকে খুব মনযোগের সাথে শুনি কিন্তু নিজ জীবনসঙ্গীর কথাকে গুরুত্ব দেই না। আর যখন আপনার লাইফ পার্টনার বুঝবে যে আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না ঠিক তখন থেকেই পরস্পর সন্দেহ বেড়ে যাবে। তাই আপনার লাইফ পার্টনার যখন কোন কথা বলে তা মনযোগ সহকারে শুনুন তাতে মনমালিন্য কমে যাবে। এক সাথে সময় কাটানঃ স্বামী স্ত্রীর সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য এক সাথে সময় কাটানোর কোন বিকল্প নেই। স্বামী-স্ত্রী যত বেশি সময় এক সাথে কাটাবে ততই তাদের মধ্যে সু-সম্পর্ক বাড়তে থাকবে। অপর দিকে যদি বিপরীত হয় তাহলে সন্দেহ বাড়বে; তাই পরিবার পরিজনকে সময় দিতে হবে। স্বামী স্ত্রীর একান্তে সময় কাটানো, মনের সব কথা খুলে বলার জন্য অবশ্যই নিজেদের শয়ন কক্ষ থাকতে হবে। আর প্রত্যেক স্ত্রী তার স্বামীর সাথে একান্তে সময় কাটাতে চায়। তাই কষ্ট হলেও অন্তত ছোট করে বিয়ের আগেই একটি কক্ষ বানাতে হবে নিজেদের জন্য। তবে আলাদা বিছানা করে থাকা যাবেনা। এতে দুরুত্ব বাড়বে। কারণ শারীরিক দুরুত্ব বাড়লে মানসিক দুরুত্বও বেড়ে যেতে পারে। কিছু সমস্যা সব সময় থাকবেই সেগুলোকে মেনে নিতে হবেঃ বিপদ আপদ, দুঃখ কস্ট সহ কিছু অপছন্দণীয় বিষয় আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এসব অপছন্দনীয় বিষয় থাকবেই। এগুলো একেবারে শেষ হয়ে যাবে না; কখন বাড়বে বা কখন কমবে। তাই এসব বিষয়কে স্বাভাবিকভাবে নিতে হবে এবং সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। একে অপরের কিছু ভাল দিক খুঁজে বের করাঃ আপনার জীবন সঙ্গীর অনেক বিষয়ই হয়তো আপনার কাছে ভাল লাগে না। তারপরও তার কিছু ভাল গুন রয়েছে সেগুলোকে খুঁজে বের করুন এবং তা প্রকাশ করে দিন অর্থাৎ কিছু সুনাম সামনসামনি করুন দেখবেন কি এক আনন্দের পরিবেশ হয়ে যাবে। ক্ষমা করার অভ্যাস করতে হবেঃ আমরা কেউ ভুলের বাইরে নই। ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আর ভুলকে মাথার মধ্যে না রেখে অন্তর থেকে ক্ষমা করে দিন। এতে পরস্পরের প্রতি সন্মানবোধ, ভালবাসা বাড়বে। একে অপরকে সালাম দেওয়া, ধন্যবাদ দেওয়া, আল্লাহ হাফেজ, ফি আমানিল্লাহ বলা ইত্যাদি অভ্যাস গড়ে তুলতে হবেঃ আমরা ভিন্ন পুরুষ বা নারীকে সন্মান করি বা সালাম দেই অথচ নিজ জীবন সঙ্গীকে সালাম দেই না, ধন্যবাদ দেই না। অথচ সালাম পাওয়ার বেশি হকদার হল নিজের জীবন সঙ্গী। নিজেদের সমস্যা নিজেরা মিটিয়ে ফেলাঃ সমস্যা জীবনে আসতেই পারে এটা কোন অস্বাভাবিক বিষয় নয়। তবে এই সমস্যা নিজেরা সমাধান করার চেষ্টা করতে হবে। নিজের বন্ধু, ভাই বোন বা অল্প বয়স্ক কার কাছে সমস্যার কথা বা ঝগড়ার কথা বলা যাবেনা। এতে সমস্যা সমাধান না হয়ে বাড়তে থাকবে। অবশ্য সমস্যা গোপন করলে যদি তা আরো বড় হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে নিজের সবচাইতে আপনজনকে জানাতে হবে। যেমন নিজ মা, বাবা বা কোন আপনজন যে ধীরস্থির ভাবে সমস্যাটি সমাধানে সাহায্য করতে পারে। তবে গোপন করা বা নিজে সমাধানের চেষ্টা করাই উত্তম। আপনার জীবনসঙ্গীকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিনঃ কখনই নিজ স্ত্রী/স্বামীর চেয়ে আপন বা বিশ্বস্ত কেউ থাকা যাবেনা। আর আপনার স্বামী/স্ত্রী যদি কোন ভাবে বুঝতে পারে যে তার চেয়ে প্রিয় বা বিশ্বস্ত কেউ আপনার জীবনে আছে তাহলে আপনি কখন বিবাহিত জীবনে সুখী হতে পারবেন না। বিয়ের আগে যদি কেউ তেমন থেকেও থাকে বিয়ের পর কোনভাবেই তার সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে না। আসুন আমরা আমাদের বিবাহিত জীবনে এসব অভ্যাস গড়ে তোলার চেস্টা করি।সবাই ভাল থাকবেন এই শুভ কামনা রইল- আল্লাহ হাফেজ।

বিয়েটাতে বিয়ের গল্প

blog-image-2
বিয়েটার বয়েস গুনে গুনে তিন বছর ১০ মাস। এই তিন বছরে সদস্য সংখ্যা পেরিয়ে গেছে ২০ হাজারের কোঠা। অনেক গুলো সফল বিয়ের গল্পের নিরব সাক্ষী বিয়েটা ওয়েবসাইট । কিভাবে বিয়েটার বিয়ের গল্প গুলো আস্তে আস্তে বিয়েতে গড়ায় সেটি আজ এই ব্লগের মাধ্যমে আপনাদের জানানোর জন্যই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছেন তুষার। তিনি ময়মনসিংহের ছেলে, কাজের তাগিদে এবং উন্নত জীবনযাত্রার ছোঁয়া পেতে ঢাকায় চলে আসেন তিনি বেশ কয়েক বছর আগে। ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ কমপ্লিট করেছেন। বর্তমানে মিরপুরে থাকেন।  তিনি একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীতে কর্মরত আছেন। চাকুরি পাওয়ার পর থেকেই মা-বাবা চাচ্ছিলেন তাকে বিয়ে করাতে। নিজেদের আত্মীয় স্বজন থেকে শুরু করে সবাই বিয়ের জন্য চেষ্টা করছিলেন। উনি নিজেও উপলব্ধি করছিলেন যে, বিয়েটা সেরে ফেলা দরকার। বয়সতো আর কম হল না, প্রায় ৩০ এর কোঠায় বয়স। যদিও চেহারায় তারুন্যের ছাপ একটুও কমেনি। বিভিন্ন জায়গা থেকে উনার বিয়ের জন্য প্রস্তাব আসতে লাগলো। সব কিছুই মোটামুটি পছন্দ হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ম্যাচ করছিল না। তুষার এর উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি, সে এমবিএ কমপ্লিট করেছে, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে জব করছেন। স্বভাবতই তিনি এমন একজনকে খুঁজছিলেন যার সাথে তার উচ্চতা, বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। তিনি চাচ্ছিলেন একজন সুন্দরী এবং শিক্ষিতা মেয়ে যিনি ঢাকায় থাকেন আর তার দেশের বাড়ি ময়মনসিংহ বা এর আশে পাশে যেমন টাঙ্গাইল, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, পাবনা হতে পারে; তবে ঢাকার স্থানীয় নয়। তুষার চান তার হবু বধুর বয়েস হবে ২৫ থেকে ২৮ এর মধ্যে, পড়াশুনা কমপক্ষে অনার্স পাশ আর উচ্চতা অন্তত পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি। সেই সাথে তিনি ঢাকায় জব করে বা ঢাকায় থাকতে আগ্রহী। তিনি আরো চান তার হবু স্ত্রী হবেন আধুনিক, সুশিক্ষিত এবং সচেতন। কিন্তু এত কিছু কিভাবে মিলবে। আর তাই তিনি অপেক্ষা করছিলেন এবং মনে মনে এমন কিছু খুঁজছিলেন যেখানে মনের সব কথা খুলে বলতে পারেন। তুষার যখন ইউনিভার্সিটিতে পড়েন, তখন এক বান্ধবীকে তার ভাল লাগত। কিন্তু নিজের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে তুষার বিয়ের চিন্তা বাদ দিয়ে পড়াশুনাকেই প্রাধান্য দিয়েছিলেন। আর এখন যখন তুষার নিজেকে বিয়ের জন্য উপযুক্ত মনে করছেন তখন আর পছন্দমত পাত্রী পাচ্ছেন না। কারণ তুষার যেমন চাচ্ছেন সেইরকম সব দিক দিয়ে মিল পাওয়া যাচ্ছিলনা। কাউকে তুষারের পছন্দ হলে তারা তুষারকে পছন্দ করছিলনা; আবার তুষারকে যে পাত্রী পক্ষ পছন্দ করছিল তাকে আবার তুষার পছন্দ করছিলেননা। তুষার খুবই চিন্তায় পড়ে গেলেন। এখন কি করা যায় ভাবতে লাগলেন। তুষারের বন্ধুরা অবশ্য তাকে সাহস দিলেন এবং অপেক্ষা করতে বললেন। কিন্তু স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল। অপরদিকে, টাঙ্গাইলের সায়মা খন্দকার ব্রাক ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ শেষ করে চাকুরির জন্য চেষ্টা করছেন। আর পরিবারের সবাই যত দ্রুত সম্ভব বিয়ে দিয়ে দিতে চাচ্ছেন তাকে। সবাই তার জন্য পাত্র খুঁজছিলেন কিন্তু পছন্দ মত পাত্র পাচ্ছিলেন না। একদিন তার খুব কাছের এক বান্ধবীর বিয়ের খবর পেলেন সায়মা। সায়মা, তার বান্ধবীর কাছে জানতে চাইলেন কিভাবে সব মিলে গেল পছন্দমত। তার বান্ধবীর কাছেই তিনি প্রথম বিয়েটা ডট কম সম্পর্কে জানতে পারেন এবং তার বান্ধবী তাকেও বিয়েটাতে একাউন্ট ওপেন করার পরামর্শ দিল। সায়মা এখন বিয়েটার সদস্য হলেন এবং তার সম্পর্কে যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেন এবং তার পছন্দ সম্পর্কেও স্পষ্ট ভাবে লিখলেন তার বিয়েটা প্রোফাইলে। ঠিক তার পরের দিন বিয়েটা থেকে ফোন আসলো ভেরিফাই এর জন্য। সায়মা সবকিছু সুন্দর করে তাদের কে জানিয়ে দিলেন। অন্য দিকে তুষার ইতিমধ্যে বিয়েটাতে একাউন্ট ওপেন করেছেন। তিনিও সায়মার মত পাত্রীর অপেক্ষায় আছেন। তুষার বিয়েটাতে একাউন্ট ওপেন করার কয়েক সপ্তাহ পর একদিন আবার বিয়েটাতে লগ ইন করলেন। সেখানে তিনি অনেক পাত্রীর বায়ো-ডাটা দেখতে পেলেন। এভাবে কয়েকজন পাত্রীর সাথে তুষারের কথা হল মোবাইলে কিন্তু মন সায় দিচ্ছিলনা। এর পর দু-একজনের সাথে দেখাও করেছেন কিন্তু  তার  পছন্দ মত পাত্রী পেলেন না। অবশেষ একদিন হুট করেই সায়মা খন্দকার এর প্রোফাইল চোখে পড়ল তার। আর সব দেখে সায়মার পছন্দ এর সাথে নিজের পছন্দগুলোর মিল খুঁজে পান তুষার। সায়মাকে অনুরোধ পাঠালেন তিনি। এরপর কেটে গেল কয়েকদিন। সায়মা তার স্মার্ট ফোনে বিয়েটা অ্যাপ ব্যবহার শুরু করলেন যাতে যে কোন সময় ফোন থেকেই বিয়েটাতে লগ ইন করতে পারেন। সায়মা দেখলেন তিনি অনেক অনুরোধ পেয়েছেন। এবার সায়মা বাছাই করতে লাগলেন যে কার অনুরোধ গ্রহণ করবেন। তুষারের প্রোফাইল সামনে আসতেই সায়মার ভিতরে কেমন যেন একটা আবেগ এসে উপস্থিত হল। কারণ তুষারের পছন্দের সাথে সায়মার পছন্দের অনেক কিছুই মিলে যাচ্ছিল। আর বেশি সময় না নিয়ে তিনি তুষারের অনুরোধ গ্রহন করলেন।  আর বিয়েটা ডট কমের নিয়ম অনুযায়ী সাথে সাথে তার ফোন নাম্বারও পেয়ে গেলেন। কিন্তু দ্বিধার কারনে তুষারকে ফোন দিতে পারলেন না। বরং অপর পক্ষ থেকে ফোন পাবার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন মনে মনে। তুষারের ছবি দেখে তার প্রতি নিজের অজান্তে একটা ভাল লাগা অনুভব হতে লাগলো সায়মার মনে। আরেকটা বিষয় হল তুষার ঢাকায় চাকুরি করে; আর তুষার চায় যে তার স্ত্রীও ঢাকায় থাকবে তার সঙ্গে।  তুষারও সায়মার ফোন নাম্বার পেয়ে গিয়েছে। সায়মার অপেক্ষার অবসান হল। একদিন বিকালে ফোন এলো তুষারের নাম্বার থেকে। সায়মার মন অজানা খুশিতে ভরে উঠল, সাথে এক রাশ লজ্জা।  তিনি ফোন রিসিভ করলেন। এরপর কথা শুরু হত। সায়মার পরিচয় পাওয়ার পর তুষার নিজের সম্পর্কে কিছু বললেন আর যেহেতু সায়মা বেশি কথা বলতে চাচ্ছিলেননা তাই তুষারও বেশি কথা না বাড়িয়ে পরে কথা হবে বলে সেদিনের মতো ফোন রেখে দিলেন। সায়মা নিজের কাজে ব্যস্ত  হয়ে পড়লেন ; তবে তার মন বলছিল যে তুষার তাকে আবার ফোন দিবে। তবে একেবারে চুপচাপ বসে থাকলেন না তিনি। সায়মা তুষারের বায়ো-ডাটা আবার ভাল করে দেখে নিচ্ছেন আর ভাবছেন কি করা যায়। বিয়েটা ডট কমের অফিসে ফোন দিলেন আর তুষার সম্পর্কে জানতে চাইলেন। সায়মা বিয়েটার হেল্প লাইন থেকে জেনে নিলেন যে, তুষারের সম্পর্কে তারা কতটুক জানেন। বিয়েটার কর্মকর্তারা চেক করে দেখে জানিয়ে দিলেন যে এই পাত্রের সাথে তাদের কথা হয়েছে,  উনার দেওয়া তথ্য সঠিক বলে মনে হয়েছে তাদের। তবে আপনি যদি খুব আগ্রহী হন উনার ব্যপারে তাহলে নিজেদের আত্বীয় বা কাউকে দিয়ে গ্রামের বাড়ি কিংবা অফিসের খোঁজ নিতে পারেন। অন্যদিকে তুষার ও বসে নেই। তিনি সায়মা সম্পর্কে আরো জানতে আগ্রহী। তিনি তার অফিসের এক ঘনিষ্ঠ কলিগের সাথে একদিন এই বিষয়ে পরামর্শ করেন এবং ব্রাক ইউনিভার্সিটিতে খোজ নিয়ে জানতে পারেন সত্যিই সায়মা ব্রাক ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ করেছেন, ইউনিভার্সিটিতে তিনি সুপরিচিত এবং তার রেজাল্টও ভাল। এবার তুষার একদিন সাহস করে আবার সায়মাকে ফোন দেয়। যেহেতু তারা একে অপরের দেয়া তথ্যের সত্যতা পেয়েছেন তাই স্বচ্ছন্দে কথা বলা শুরু করেন। এভাবেই তারা ধীরে ধীরে নিজেদের সম্পর্কে আরো অনেক কিছুই জানেন।  তাদের পছন্দ ও অপছন্দের কথা শেয়ার করার পর তারা একে অপরের সাথে দেখা করার সিদ্ধান্ত নেন। দেখা করে তাদের দুজনের সম্মতিক্রমে তারা তাদের পছন্দের ব্যাপারটি দুজনের পরিবারকে জানান। পরবর্তী ফলাফল ধুমধাম করে বিয়ে! তুষার এবং সায়মার পরিবারের সকল আত্মীয় স্বজন মিলে বিরাট আনন্দের আয়োজনের মাধ্যমে অবশেষে তাদের নিজেদের বাড়িতেই তাদের বিয়ে সম্পন্ন হল। এটাই ছিল তুষার ও সায়মার পরিচয় ও বিয়ের গল্প। পাঠক, এটি একটি কাল্পনিক বিয়ের গল্প। তবে, বিয়েটার প্রতিটি বিয়ের গল্পই এরকমই সুন্দর। আপনি কি বিয়ের জন্য পাত্র বা পাত্রী খুঁজছেন ? তাহলে আর দেরি না করে আজই বিয়েটাতে রেজিস্ট্রেশান করে ফেলুন আর খুঁজুন আপনার জীবন সঙ্গীকে।