খুঁজুন। বিয়ে করুন। ভালবাসুন। আজীবন।

Landing page down arrow

কিভাবে আপনি জীবনসঙ্গী খুঁজবেন?

  • tick markরেজিস্টার করুন নিজের বা পরিচিতজনের জন্য
  • tick markআপনার সকল তথ্য দিন
  • tick markসবগুলো ঘর ভালোভাবে পূরণ করুন
  • tick markকার্ড বা বিকাশে পে করুন
  • tick markপাত্র/পাত্রী খুঁজুন
  • tick markসম্পূর্ণ বায়োডাটা দেখার অনুরোধ করুন
  • tick markযোগাযোগের অনুরোধ করুন
  • tick markমেসেজ পাঠান
  • tick markদেখা করুন এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত নিন

আমাদের সেবাসমূহ

Our-Services-icon-1-logo

সপ্তাহে ৭ দিন গ্রাহক সেবা

আমরা সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত গ্রাহক সেবা দিয়ে থাকি। আমাদের সাথে আপনারা ইমেইল, ফোন অথবা ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা চেষ্টা করি সকল সমস্যার সহজ এবং দ্রুত সমাধান করতে।

Our-Services-icon-2-logo

বিশেষ পরামর্শ

আমরা গ্রাহকদের আরও সুন্দরভাবে কিভাবে প্রোফাইলটি উপস্থাপন করতে পারে সে ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে থাকি। প্রিমিয়াম গ্রাহকদের চাহিদা সাপেক্ষে তাদের পছন্দের পাত্র বা পাত্রী খুঁজতে সাহায্য করে থাকি।

Our-Services-icon-3-logo

ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে সহযোগীতা

আমাদের ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে গ্রাহক আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। যেকোনো ধরণের সমস্যা অথবা যেকোনো ধরনের প্রশ্নের উত্তর আমরা দিয়ে থাকি। এছাড়াও আমরা ফেসবুক পেইজে কিছু পাত্র বা পাত্রীর নিজের সম্পর্কে কিছু কথা পোস্ট করে থাকি।

Our-Services-icon-4-logo

গোপনীয়তা ও বিশ্বস্ততার নিশ্চয়তা

আপনার অনুমতি ছাড়া ছবি, আসল নাম ও পূর্ণ প্রোফাইল কেউ দেখতে পারবে না। দুই ধাপে অনুমতি দেয়ার পরে গ্রাহক আপনার যোগাযোগের তথ্য পাবে। আমরা প্রত্যেকের মোবাইল নম্বর ভেরিফাই করি। আপনার অভিযোগ বা সন্দেহজনক তথ্য পেলে নিয়ম অনুযায়ী পদক্ষেপ নেই।

সফল বিয়ের গল্প

আপনার প্ল্যান নির্বাচন করুন

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
প্রযোজ্য নয়
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
Cross icon
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
Cross icon
বায়োডাটা ডাউনলোড
Cross icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Cross icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Cross icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Cross icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
১ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Cross icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
৩ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
২৫
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
৬ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
৬০
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon

ব্লগ

বিয়েটাকে ব্যবহার করে বিয়ে এবং কিছু পরামর্শ

blog-image-1
বিয়েটা ডট কমে অনেক আগ্রহ নিয়ে রেজিস্ট্রেশন করার পর মনমত কোন রেসপন্স না পেয়ে অনেকেই আর প্রোফাইলে লগইন করেন না। আর নিজে নিজে মন্তব্য করেন যে, আমার পছন্দমত কোন পাত্র বা পাত্রীকে খুঁজে পেলাম না । অথচ বন্ধু বা বান্ধবীদের কাছে অনেক সুনাম শুনে তারা বিয়েটাতে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন বা পেমেন্ট করেছিলেন কিন্তু সঠিক নির্দেশনা না পাওয়ার কারনে তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। এই লিখা থেকে আমরা কয়েকজন সফল দম্পতির সফলভাবে বিয়েটাকে ব্যবহার করে সফল হওয়ার গল্প শুনবো এবং বিয়েটা ডট কমের এডমিনের পক্ষ থেকে কিছু পরামর্শ জানবো যাতে আমরাও সফল হতে পারি। প্রথমেই আমরা বিয়েটাকে ব্যবহার করে যারা সফল হয়েছিলেন তাদের মধ্যে মনি ও শুভ দম্পতি এর বিয়েটা ব্যবহারের গল্প শুনবো। সফল ইউজার (১) শুভ বিয়েটাতে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন তাঁর কয়েকজন বন্ধুর পরামর্শে। তিনি রেজিস্ট্রেশন এর পর কিছুদিন তেমন কিছু বুঝতে পারছিলেননা যে কিভাবে অপারেট করবেন। একদিন বিয়েটার হেল্প লাইন থেকে উনি জেনে নিলেন যে কিভাবে অনুরোধ পাঠাতে হয়, কিভাবে ফার্স্ট পেজে সব সময় থাকবেন ইত্যাদি। এরপর প্রতিদিন তিনি কিছু সময় বিয়েটার পিছনে ব্যয় করতে লাগলেন। কয়েকটি পাত্রীর প্রোফাইল তিনি দেখতে পারছিলেন। তাদেরকে পছন্দও হয়েছিল। তাই তিনি একটি প্লান পার্চেস করে অনুরোধ পাঠানো শুরু করলেন। এরপর উনি ভেবেছিলনে যে সাথে সাথেই হয়তো কোন পাত্রী পক্ষ রেসপন্স করবেন। কিন্তু উনাকে রেসপন্স পেতে কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়েছিল। এভাবে কয়েক জন পাত্রীর সাথে উনি কথাও বললেন। কিন্তু তেমন পজিটিভ মনে হলনা। কয়েকজন পাত্রী উনাকেও অনুরোধ পাঠান কিন্তু তাদের দেশের বাড়ি, বয়স আর উচ্চতা পছন্দ না হওয়াতে তিনি তাদের অনুরোধ গ্রহণ করেননি। এর পর এই প্লানের মেয়াদ শেষ হলে উনি আবার আপগ্রেড করেন এবং নতুন করে আবার অনুরোধ পাঠাতে শুরু করেন। অন্য দিকে মনি বিয়েটাতে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন শুধুমাত্র শখের বসে। কারণ তিনি তেমন আগ্রহী ছিলেন না। তবে উনার এক বোনের একটি প্রোফাইল ছিল বিয়েটাতে এবং তাঁর বিয়ের জন্য সবাই আগ্রহী ছিল। তাকে সহযোগিতা করার জন্য উনি নিজে প্রোফাইল ওপেন করেছিলেন। মনি একদিন দেখলেন যে তাকে অনেকেই অনুরোধ পাঠিয়েছে। কিন্তু উনি খুব চিন্তা ভাবনা করে অবশেষ শুভ এর অনুরোধটি গ্রহণ করেন। আর যাদেরটা পছন্দ হয়নি তাদের অনুরোধ গ্রহণ করেননি। এরপর কথা বার্তা শুরু হয় শুভ এবং মনির। দুজনের পছন্দ ও অপছন্দের অনেক কিছুই মিলে যাবার পর উনারা নিজ নিজ পরিবারকে জানান। প্রথম দিকে উভয় পরিবারের কেউ রাজি ছিলনা। কিন্তু উভয়ের আগ্রহ দেখে পরিবার এর সবাই ব্যপারটিকে গুরত্ব দেয়। শুভ অফিসে একদিন দেখা করতে আসে মনি এর পরিবারের একজন। এরপর কথা শুরু পারিবারিকভাবে। উভয় পক্ষের মতামত এর ভিত্তিতে দেখাশুনা পর্ব শেষ করে একদিন তাদের বিয়ে হয়ে যায়। এরপর বিয়েটা থেকে বিদায় নেওয়ার পালা। বিয়েটাতে একদিন লগ ইন করে একাউন্টস সেটিং অপশনে ক্লিক করে “একাউন্টস বন্ধ করুন” এ ক্লিক করেন আর এরপর মন্তব্য এর বক্সে বিয়েটার সুনাম করে বিদায় নেন এই শুভ এবং মনি দম্পতি। সফল ইউজার (২): বিয়ের বয়স হয়ে গিয়েছিল আরিফ হোসেন জাকি এর। কোনভাবেই তিনি কোন পাত্রী এর সাথে নিজের কোন পছন্দের মিল খুঁজে না পেয়ে অবশেষে বিয়েটাতে রেজিস্ট্রেশন করেন। রেজিস্ট্রেশন করার পর তিনি ভালভাবে নিয়ম কানুন জেনে নেন বিয়েটার হেল্পলাইনে কল করে। তিনি কিছুদিন ফ্রি ইউজার হিসাবে একটিভ থাকেন এবং তিনি বিভিন্ন প্রোফাইল দেখতে থাকেন। একদিন তিনি একটি প্ল্যান পার্চেস করে বেশ কয়েকটি অনুরোধ পাঠান।অনুরোধ পাঠানোর প্রায় দু- এক সপ্তাহের মধ্যে কোন রেসপন্স আসেনি। তবে উনি নিরাশ হননি।এভাবে কয়েক মাস কাটার পর আরিফ একদিন পাপিয়া এর প্রোফাইল দেখতে পান। ভালভাবে পুরো প্রোফাইল দেখে তিনি একদিন পাপিয়াকে অনুরোধ পাঠান।কয়েক দিন পর তিনি একদিন প্রোফাইলে লগ ইন করে দেখতে পারেন যে পাপিয়া তাঁর অনুরোধটি গ্রহণ করেছেন।এরপর কথা বলে, পারিবারিকভাবে জানিয়ে তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এভাবে বিয়েটার মাধ্যমে বেশ কয়েকটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন আমরা বিয়েটার এডমিন থেকে সফলভাবে পাত্র- পাত্রী খোঁজ করার জন্য কিছু পরামর্শ জানব- পরামর্শ- ১ঃ আপনি যদি সত্যিকারে বিয়ের জন্য আগ্রহী হয়ে থাকেন তবেই কেবল রেজিস্ট্রেশন করুন অন্যথায় সময় নস্ট করবেন না। অন্যকে বিরক্ত করবেন না। পরামর্শ-২ঃ রেজিস্ট্রেশন এর সময় একটু সময় নিয়ে ভালভাবে রেজিস্ট্রেশন করুন। ছবি, পিতার নাম, কর্মস্থল বা পেশা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, নিজের ঠিকানা ও পছন্দের ব্যাপারে স্পষ্ট এবং সঠিক তথ্য দিবেন। পরামর্শ-৩ঃ নিজের মোবাইল নাম্বার, মেইল আইডি ইত্যাদি যোগাযোগের যেকোন মাধ্যম যা আপনি নিয়মিত ব্যবহার করেন এমনটি প্রদান করবেন। যে মেইল এড্রেস বা ফোন নাম্বার বা যোগাযোগ মাধ্যম আপনি নিয়মিত ব্যবহার করেন না সেটি প্রদান করবেন না। পরামর্শ- ৪ঃ রেজিস্ট্রেশন কমপ্লিট হয়ে গেলে আপনি পাত্র/ পাত্রীর প্রোফাইল দেখতে পারবেন। একইভাবে আপনার প্রোফাইলটিও পাত্র/ পাত্রী যাদের সাথে মিলে যাবে তারা দেখতে পারবে। পরামর্শ- ৫ঃ প্রতিদিন কিছু সময় দিন বিয়েটার ওয়েবসাইটে। যদি আপনি প্রতিদিন সময় না দেন তাহলে আপনার প্রোফাইলটি প্রথম পেজ থেকে ধীরে ধীরে সরে যাবে। অর্থাৎ কোন ইউজার প্রোফাইলে লগ ইন করলেই আর আপনার প্রোফাইল দেখতে পারবেনা। ঐ ইউজারকে আপনার প্রোফাইল দেখতে হলে আর ও বেশি স্ক্রল করতে হবে। পরামর্শ- ৬ঃ কয়েকদিন বিয়েটার ওয়েবসাইটটি ভালভাবে দেখে, বুঝে তারপর কাউকে অনুরোধ পাঠাতে চাইলে তখন পেমেন্ট করুন। পরামর্শ- ৭ঃ প্রথমে সিলভার প্যাকেজটি নিয়ে দেখতে পারেন তবে আমরা আপনাকে গোল্ড প্যাকেজটি নিতে বলবো। কারণ ঐ প্যাকেজে তিন মাস সময় পাওয়া যায় আর ২৫ জনকে যোগাযোগের অনুরোধ পাঠাতে পারবেন। আর এতে একটি ভাল সিদ্ধান্তে আপনি পৌছাতে পারবেন। পরামর্শ- ৮ঃ কাউকে অনুরোধ পাঠানোর পুর্বে একটু চিন্তাভাবনা করুন। যদি ঐ ইউজার আপনার অনুরোধটি গ্রহণ করে তখন কি করবেন, সে যেসব তথ্য দিয়েছে সেগুলো কি আসলেই ঠিক, যদি ঠিক থাকে তবে কি করবেন ইত্যাদি। পরামর্শ- ৯ঃ কারো অনুরোধ গ্রহণ করার ব্যাপারেও একটি চিন্তা ভাবনা করুন। যদি তাঁর তথ্য ঠিক থাকে তবে অন্তত তাঁর সাথে কথা বলা এবং দেখা করার মত মনমানসিকতা যদি থাকে তবেই তাঁর অনুরোধ গ্রহণ করবেন। পরামর্শ- ১০ঃ কোন ইউজার এর সাথে প্রাথমিক পরিচয়ে যদি পজিটিভ মনে হয়, তাহলে নিজ পরিবার এর অন্যান্য সদস্যদেরকে জানিয়ে দিন। ভালভাবে খোঁজ খবর নিয়ে আরও পজিটিভ মনে হলে দেখা করার সিদ্ধান্ত নিন অন্যথায় স্পস্ট ভাবে জানিয়ে দিবেন যে আমরা আর আপনার সাথে যোগাযোগ করতে আগ্রহী নই। পরামর্শ- ১১ঃ বিয়ের জন্য সময় এবং পেমেন্ট এর বাজেট করুন। বিয়ের জন্য আপনাকে সময় দিতে হবে, কমপক্ষে ৬ মাস বা ১ বছর সময় নিলে ভাল হয়। তবে একেক জন এর প্রয়োজন একেক রকমও হতে পারে। আর দু-একটি পেমেন্ট করেই কোন ভাল রেজাল্ট না হলে আপগ্রেড করা বন্ধ করবেন না। কারণ বিয়ের পাত্র/ পাত্রী সিলেক্ট করতে আপনাকে সময় দিতে হবে, পাশাপাশি পেমেন্ট করে চেষ্টাও চালিয়ে যেতে হবে। পরামর্শ- ১২ঃ কাউকে অনুরোধ পাঠানোর পর রেসপন্স না পেলেও সবর করতে হবে। ইন্টারনেটের ব্যবহার অনেকেই ভালভাবে জানেন না। আবার পর্যাপ্ত নেট কানেকশন সব জায়গায় সবসময় থাকেনা। এছাড়া ব্যস্ততার কারনে সবাই ওয়েবসাইটে সময় দিতে পারেন না। এসব কারনে রেসপন্স না পেলে হতাশ হবেন না। পরামর্শ- ১৩ঃ বিদেশে বসবাসকারী পাত্র/ পাত্রী দেখতে চাইলে কি করবেন? হ্যাঁ বিদেশে বসবাসকারী পাত্র/ পাত্রী দেখতে চাইলে যেকোন ব্রাউজার দিয়ে বিয়েটার ওয়েবসাইটে লগ ইন করতে হবে। মোবাইল অ্যাপ দিয়ে বর্তমানে খুঁজে পাওয়া যাবেনা। ওয়েবসাইটে লগ ইন করে দেশে/বিদেশে এর জায়গায় বিদেশ ক্লিক করবেন তাহলে যারা বিদেশে অবস্থান করছেন তাদের প্রোফাইল দেখতে পারবেন। পরামর্শ- ১৪ঃ বিয়েটা ব্যবহার করে বিয়ে হয়ে গেলে পরবর্তীতে কোন পেমেন্ট করতে হবে না। অনেকেই মনে করেন যে বিয়েটার মাধ্যমে বিয়ে হয়ে গেলে পরে কি কোন পেমেন্ট করতেই হয় কিনা এই সন্দেহে বিয়ের পর অনেকেই একাউন্ট অফ করার সময় বিয়েটার মাধ্যমে বিয়ে হয়েছে তা উল্লেখ করতে চান না। অথচ, বিয়েটার মাধ্যমে বিয়ে হলে কোন পেমেন্ট করতে হয়না বরং বিয়েটা থেকে ঐ দম্পতিকে উপহার দেওয়া হয়। পরামর্শ- ১৫ঃ কাউকে অনুরোধ পাঠানোর পুর্বে তাঁর প্রোফাইল দেখুন, সে কত দিন আগে লগ ইন করেছিল তা চেক করে দেখুন, তারপর অনুরোধ পাঠান। এছাড়া এই বিষয়ে  আর জানতে পড়ুন।  আপনার নিজের কোন পরামর্শ থাকলে দয়া করে কমেন্ট বক্সে জানাবেন।

দেনমোহর কী, কেন ও কত হওয়া উচিৎ?

blog-image-2
একজন মুসলমানের বিয়েতে আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক নির্দেশিত অপরিহার্য প্রদেয় স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রী যে অর্থ-সম্পদ পেয়ে থাকে তাকেই দেনমোহর বলে। বিয়ের সময় স্ত্রীকে দেনমোহর প্রদান করা স্বামীর ওপর ফরজ।   আল্লাহ তা’আলা বলেন – “আর তোমাদের স্ত্রীদের তাদের দেনমোহর দিয়ে দাও খুশি মনে। অবশ্য স্ত্রী চাইলে দেনমোহর কিছু অংশ কিংবা সম্পূর্ণ অংশ ছেড়ে দিতে পারে। [সূরা আন-নিসাঃ৪] তবে এ ব্যাপারে স্ত্রীর উপর কোন প্রকারের চাপ প্রয়োগ করা যাবে না। সাধারণভাবে দেনমোহর কম ধার্য করাই মুস্তাহাব। রাসূল (সাঃ) বলেন –“সে নারী বরকতের মাঝে আছে যাকে প্রস্তাব দেয়া সহজ ও যার দেনমোহর অল্প” [মুসনাদু আহমাদ; হাসান সানাদে] এ ছাড়া কুরআনের আরো এক আয়াতে দেনমোহরের অধিকার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘হে নবী! আমি তোমার জন্য বৈধ করেছি তোমার স্ত্রীদেরকে, যাদের দেনমোহর তুমি প্রদান করেছো।’ (সুরা আল-আহজাব, আয়াত-৫০) দেনমোহরের বিষয়টি হালকাভাবে নিয়ে লোক দেখানো ‘অধিক দেনমোহর’ ধার্য করাতে কোনো বরকত নেই। বরং তা অহংকারের পরিচায়ক। বরকতপূর্ণ বিবাহের বর্ণনা দিতে গিয়ে উম্মাহাতুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) বলেন, হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, “সবচেয়ে বরকতময় বিয়ে হচ্ছে সুন্নতি বিয়ে, অর্থাৎ যে বিয়েতে খরচ কম হয় এবং কোনো জাঁকজমক থাকে না।”-মিশকাত শরিফ দেনমোহরের পরিমাণ কী হওয়া উচিত ইসলামী শারীআতে এ সম্পর্কে বিশেষভাবে কোন নির্দেশ দেয়া হয়নি, কোন সুস্পষ্ট পরিমাণ ঠিক করে দেয়া হয়নি। তবে এ কথা স্পষ্ট যে, প্রত্যেক স্বামীরই কর্তব্য হচ্ছে তার আর্থিক সামর্থ্য ও স্ত্রীর মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য রেখে উভয় পক্ষের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোন পরিমাণ নির্দিষ্ট করে বেঁধে দেয়া। আর মেয়ে পক্ষেরও তাতে সহজেই রাজী হয়ে যাওয়া উচিত। দেনমোহর যে কতটা গুরুতপূর্ণ বিষয়, তা বুখারীর হাদীসই প্রমাণ বহন করে। সাহল ইবনে সাদ (রাঃ) বলেন, ‘’আমি অন্যান্য লোকের সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে উপবিষ্ট ছিলাম’’। তখন এক মহিলা দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল, আমি নিজেকে আপনার জন্য হেবা করলাম, আপনি আমাকে গ্রহণ করুন। কিন্তু রাসূল (সাঃ) কিছুই বললেন না। মহিলাটি এরূপ তিনবার বলল, কিন্তু তিনবারই রাসূল (সাঃ) চুপ থাকলেন। তখন এক সাহাবী দাঁড়িয়ে বললেন আপনি যদি গ্রহন না করেন তাহলে এই মহিলার সাথে আমার বিয়ে দিয়ে দিন। রাসূল (সা.) জিজ্ঞাসা করলেন তোমার নিকট কি মহিলাকে দেনমোহর দেওয়ার মত কিছু আছে? তিনি বললেন, না। তখন রাসূল (সা.) বললেন তোমার বাড়ি থেকে খোঁজ করে একটি লোহার আংটি হলেও নিয়ে আসো। কিন্তু তিনি তাও আনতে পারেনি। তখন রাসূল (সা.) বললেন তোমার কি কোরআনের কিছু মুখস্ত আছে? তখন তিনি বললেন আমার ঐ ঐ সূরা মুখস্থ আছে। রাসূল (সা.) বললেন, মহিলাকে ঐ সূরাগুলো শিখিয়ে দিও, সেটাই তোমার দেনমোহর। উপরোক্ত হাদীসটি দ্বারা পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে মহিলাকে দেনমোহর প্রদান করা অত্যাবশ্যক। দেনমোহর একজন নারীর হক, যদি কোনো ব্যক্তি দেনমোহর অনাদায়ের ইচ্ছা নিয়ে বিয়ে করে তাহলে সে ব্যাভিচারী হবে। সে বিষয়েই রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যা মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত হয়েছে। রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো মেয়েকে দেনমোহর দেওয়ার ওয়াদায় বিয়ে করেছে, কিন্তু দেনমোহর দেওয়ার ইচ্ছে নেই, সে কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট ব্যাভিচারী হিসেবে দাঁড়াতে বাধ্য হবে।”- মুসনাদে আহমাদ সূরা নিসার ২৪ নম্বর আয়াত, “এবং নারীদের মধ্যে সধবা নারী ছাড়া সকল নারীকে তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে যে, তোমরা তোমাদের অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য, অবৈধ যৌনাচারে লিপ্ত হওয়ার জন্য নয়। সুতরাং তাদের মধ্যে তোমরা যাদেরকে ভোগ করেছ তাদেরকে তাদের নির্ধারিত মোহর দিয়ে দাও। আর নির্ধারণের পর যে ব্যাপারে তোমরা পরস্পর সম্মত হবে তাতে তোমাদের উপর কোন অপরাধ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।” এই আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয়, দেনমোহর হতে হবে বিক্রয়যোগ্য বস্তু সম্পদ। দেনমোহরের সর্বোচ্চ কোনো পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি। ন্যূনতম পরিমান হানাফি মাজহাবের মতে ১০ দিরহাম। অর্থাৎ ৩০.৬১৮ গ্রাম রুপা অথবা এর সমপরিমাণ মূল্য নির্ধারণ করা। এর চেয়ে কম পরিমাণ মোহর নির্ধারণ করা স্ত্রী রাজি হলেও তা শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ হবে না। এ প্রসঙ্গে হাদিস শরীফে বর্ণিত হয়েছে, ১০ দিরহামের কম কোনো মোহর নেই (বায়হাকি শরীফ, ৭/২৪০)। কিন্তু এর উপরে যে কোনো পরিমাণকেই দেনমোহর নির্ধারণ করা যাবে। তবে স্বামী যেহেতু দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য- তাই তার পরিশোধের সামর্থ্য বিবেচনা করে তা নির্ধারণ করা উচিৎ। এমন কোনো সিদ্ধান্ত তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া আদৌ উচিৎ হবে না- যাতে সে তা পরিশোধ না করতে পেরে গুনাহগার হয়। দেনমোহরের জন্য আমাদের সমাজে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত পরিমান হল মোহরে ফাতেমি। মোহরে ফাতেমি বলা হয় ঐ পরিমাণ মোহর নির্ধারণ করা, যা রাসূলুল্লাহ সাঃ-এর মেয়ে হযরত ফাতেমা রাঃ-এর জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। হযরত ফাতেমা রাঃ-এর মোহর ৫০০ দিরহাম নির্ধারণ করা হয়েছিল, ১৫৩০.৯ গ্রাম রুপা (জাওয়াহিরুল ফাতাওয়া, ৪/৩৫০)।     হযরত উমর (রা.) এর খেলাফতকালে যখন মুসলমানদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসে- তখন সাহাবারা (রাঃ) তাদের সন্তানদের বিয়েতে দেনমোহরে ফাতেমির চেয়ে অনেক গুণ বেশি দেনমোহর নির্ধারণ করতে শুরু করেন। হযরত উমর (রা.) দেনমোহরের ক্রমবৃদ্ধির গতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলেন। তিনি এত বেশি পরিমান দেনমহরের পক্ষে ছিলেন না। কিন্তু সূরা নিসার ৪ নম্বর আয়াত এর কারনে তা পারেননি। সুরা নিসার ৪ নাম্বার আয়াতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন জানিয়েছেন, “তোমরা স্ত্রীদের তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশি মনে” (সূরা নিসা-৪)”। এই আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয় দেনমোহর অনেক বেশিও হতে পারে। তাই, কোনো প্রকার বিচার-বিবেচনা ছাড়া ঢালাওভাবে সবার জন্য দেনমোহরে ফাতেমি নির্ধারণ করলে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে- যা ইসলাম আদৌ পছন্দ করে না। আবার মোহরে ফাতেমির চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণ দেনমোহর পরিশোধের সামর্থ্য যদি স্বামীর থাকে তবে সেক্ষেত্রে দেনমোহরে ফাতেমিকে দেনমোহর নির্ধারণ করার দ্বারা স্ত্রীকে ঠকানো হয় ও নারীত্বের অবমাননা করা হয়। তাই দেনমোহরে ফাতেমিকে নয়, বরং স্বামীর সামর্থ্যরে সর্বোচ্চ পরিমাণকে দেনমোহর করা উচিৎ। অন্যসব অধিকারের মতো স্বামীর কাছে দেনমোহর দাবি করা স্ত্রীর জন্য দোষের কিছু নয়। অনেকেই মনে করেন, দেনমোহরের টাকা স্ত্রীকে দিতে হয় শুধুমাত্র বিয়ের বিচ্ছেদ ঘটলে। এটা অজ্ঞতা ও চরম ভুল ধারণা। বিয়ে বিচ্ছেদ না হলেও দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করা ফরজ। অতএব এর যাবতীয় দিক শরীয়ত অনুযায়ী ও পরিষ্কারভাবে হওয়া উচিত এবং সে হিসেবেই তা পরিশোধের চিন্তা-ভাবনা করা উচিত। আমরা এই আলোচনা থেকে বুঝতে পারলাম যে দেনমোহর স্ত্রীর হক যা অবশ্যই স্বামীকে প্রদান করতে হবে এবং খুশি মনে প্রদান করতে হবে। এটা স্ত্রীর প্রতি কোন দয়া বা দান নয় বরং স্ত্রীর পাওনা। বিয়ে সম্পর্কে কুরআন হাদিসের আরো নির্দেশনা পেতে পড়তে পারেন এই ব্লগটি-বিয়ে সম্পর্কিত কুরআন এর কয়েকটি আয়াত ও এর ফজিলত।