খুঁজুন। বিয়ে করুন। ভালবাসুন। আজীবন।

Landing page down arrow

কিভাবে আপনি জীবনসঙ্গী খুঁজবেন?

  • tick markরেজিস্টার করুন নিজের বা পরিচিতজনের জন্য
  • tick markআপনার সকল তথ্য দিন
  • tick markসবগুলো ঘর ভালোভাবে পূরণ করুন
  • tick markকার্ড বা বিকাশে পে করুন
  • tick markপাত্র/পাত্রী খুঁজুন
  • tick markসম্পূর্ণ বায়োডাটা দেখার অনুরোধ করুন
  • tick markযোগাযোগের অনুরোধ করুন
  • tick markমেসেজ পাঠান
  • tick markদেখা করুন এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত নিন

আমাদের সেবাসমূহ

Our-Services-icon-1-logo

সপ্তাহে ৭ দিন গ্রাহক সেবা

আমরা সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত গ্রাহক সেবা দিয়ে থাকি। আমাদের সাথে আপনারা ইমেইল, ফোন অথবা ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা চেষ্টা করি সকল সমস্যার সহজ এবং দ্রুত সমাধান করতে।

Our-Services-icon-2-logo

বিশেষ পরামর্শ

আমরা গ্রাহকদের আরও সুন্দরভাবে কিভাবে প্রোফাইলটি উপস্থাপন করতে পারে সে ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে থাকি। প্রিমিয়াম গ্রাহকদের চাহিদা সাপেক্ষে তাদের পছন্দের পাত্র বা পাত্রী খুঁজতে সাহায্য করে থাকি।

Our-Services-icon-3-logo

ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে সহযোগীতা

আমাদের ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে গ্রাহক আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। যেকোনো ধরণের সমস্যা অথবা যেকোনো ধরনের প্রশ্নের উত্তর আমরা দিয়ে থাকি। এছাড়াও আমরা ফেসবুক পেইজে কিছু পাত্র বা পাত্রীর নিজের সম্পর্কে কিছু কথা পোস্ট করে থাকি।

Our-Services-icon-4-logo

গোপনীয়তা ও বিশ্বস্ততার নিশ্চয়তা

আপনার অনুমতি ছাড়া ছবি, আসল নাম ও পূর্ণ প্রোফাইল কেউ দেখতে পারবে না। দুই ধাপে অনুমতি দেয়ার পরে গ্রাহক আপনার যোগাযোগের তথ্য পাবে। আমরা প্রত্যেকের মোবাইল নম্বর ভেরিফাই করি। আপনার অভিযোগ বা সন্দেহজনক তথ্য পেলে নিয়ম অনুযায়ী পদক্ষেপ নেই।

সফল বিয়ের গল্প

আপনার প্ল্যান নির্বাচন করুন

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
প্রযোজ্য নয়
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
Cross icon
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
Cross icon
বায়োডাটা ডাউনলোড
Cross icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Cross icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Cross icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Cross icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
২ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
২৫
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
৬ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
৬০
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon

সুবিধাসমূহ

মেয়াদ
৯ মাস
শর্ট প্রোফাইল দেখুন
Tick icon
বায়োডাটার অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ গ্রহণ
Tick icon
যোগাযোগের অনুরোধ প্রেরণ
১০০
বায়োডাটার অনুরোধ প্রেরণ
ইচ্ছেমতো
বায়োডাটা ডাউনলোড
Tick icon
সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
Tick icon
বিশেষজ্ঞ সেবা (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
সুপারিশ (চাহিদা সাপেক্ষে)
Tick icon
* অফার ৩১ মার্চ ২০২০ পর্যন্ত চলবে

ব্লগ

সৌন্দর্য বিচারের প্রকৃত মাপকাঠি কী?

blog-image-1
কালো মানেই কি অসুন্দর, কালো মানেই অবজ্ঞা? আর সেটা বেশি করে ঘটে নারীদের বেলাতেই। সৌন্দর্য বিচারের প্রকৃত মাপকাঠি কী? গায়ের রঙ কখনো একজন নারীর বিশেষত্ব হতে পারে না! আপনার পরিচয় আপনার ত্বকের রঙে নয়। ছোটবেলা থেকে এমন অনেকেই এই চিন্তাভাবনা নিয়ে বড় হচ্ছে যে, আসলে তার মধ্যেই কোন কমতি আছে। কিন্তু কেন?  ধারণাটি অনেক আগে দেখা যেত। এখনো দেখা যায় কিন্তু খুবই কম। কারণ এখন মেয়েরা তাদের নিজেদের যোগ্যতায় অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। কালো বা ফর্সা তাদের পিছনের দিকে টানতে পারেনি। পাশ্চাত্য সংস্কৃতি: আসলে আমাদের এই ধ্যান-ধারণা এসেছে কোথা থেকে? নানাভাবে সেটা পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে পাশ্চাত্যের সংস্কৃতির সাথে জড়িত। আমরা একসময় শ্বেতাঙ্গ শাসিত হয়েছি। পরবর্তীতে দেখা গেছে সাদার আধিপত্য বেশি। আমাদের মাঝে এই কালো বর্ণের প্রতি নেতিবাচক ধারণা ব্যাপারটার সাথে এর সংযোগ থাকতে পারে। মিডিয়া: এরপর আসা যাক মিডিয়া নিয়ে। আমরা সব সময় মিডিয়াকে খুব বেশি অনুসরণ করি। মিডিয়া আমাদের যেটা দেখাচ্ছে আমরা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি। যেমন রং ফর্সাকারী ক্রিম এর বিজ্ঞাপনে সবসময় দেখা যায় ৩-৭ দিনের মধ্যে ফর্সা হবার সম্ভাবনা। কালো বলে চাকরি বা বিয়ে হচ্ছে না এমন কিছু দৃশ্য প্রকাশ করা হয়ে থাকে। কেন? কোনটা সুন্দর কোনটা অসুন্দর সেটা কেন একটা বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে বিচার করবো? আমাদের অধিকাংশের ধারণা এটাই যে, ফর্সা মানেই সুন্দর, ফর্সা মানেই সফল। এই প্রবণতা আমাদের মাঝে ঢোকানোর জন্য মিডিয়াই বেশিরভাগ দায়ী। চাকরি আপনার গায়ের রং এর জন্য নয়, আপনার যোগ্যতায় পাবেন। সময়টা এমনই চলে এসেছে। যদিও এখনো কারো কারো মাঝে এমন দেখা যায়। কিন্তু আমরা নিজেদের চেষ্টায় সেটাও ঠিক করে ফেলতে পারবো আশা করছি। কালোকে উপস্থাপন:  চলুন, আমরা নিজেরাই নিজেদেরকে একটু জিজ্ঞাসা করে দেখি যে, আমরা কতবার দেখেছি সিনেমার নায়িকাদের গায়ের রং কালো? রূপকথার গল্পে রাজকন্যা কালো কখনো পড়েছি কি? সবসময় দেখে আসছি সিনেমার ভিলেন বা গল্পের ডাইনী বুড়িটা কালো কুৎসিত।  দৃষ্টিভঙ্গি: আল্লাহর সমস্ত সৃষ্টিই সুন্দর। তবে এই চিত্র কেবল আমাদের উপমহাদেশেই। যদি সারা-পৃথিবীতেই তাই হতো তাহলে বারাক ওবামা কালো বউকে ভালোবেসে ঘর করতেন না। অথচ এই কালো রঙের জন্য গ্রাম/মফস্বলে পর্যন্ত যৌতুকের বলি হতে হয় প্রতিনিয়ত। বিয়ের পর নির্যাতনেরও স্বীকার হতে হয়। একমাত্র আমাদের চিন্তা ভাবনা যদি পরিবর্তন করতে পারি তাহলে এই বৈষম্য দূর করা সম্ভব । দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর চেষ্টা করি। আমাদের দেশে মানুষের চিন্তা–চেতনা, মস্তিষ্ক–মন যত দিন না বর্ণবাদ থেকে বেরোতে পারবে ততদিন আমরা পিছিয়েই থাকবো। বিভেদরেখা টানা: গায়ের রং এর বিভেদরেখার মাধ্যমেই কিন্তু পরিবার ও সমাজে বর্ণবাদের অস্তিত্ব প্রকাশ পায়! একজন মানুষের গায়ের রঙ কখনোই তাঁর সৌন্দর্যের মাপকাঠি হতে পারে না! এই কালোর মাঝেও কিন্তু সৌন্দর্য আছে। কখনো কখনো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখা যায় কালো মেয়েদেরকে নিয়ে। তখন কিন্তু এই কালো মেয়েটিকে তারা সুন্দর ভাষায় কৃষ্ণকলি বলে, কিন্তু এই একই মেয়েকে  বাস্তব জীবনে কালো মেয়ে ছাড়া কখনই কারো কাছে কৃষ্ণকলি শুনতে দেখা যায়না।  যোগ্যতা: আলোচ্য বিষয় হচ্ছে সৌন্দর্য। সেটা কি শুধুমাত্র ফর্সা রঙ এর মাঝেই সীমাবদ্ধ? পৃথিবীর ইতিহাসে সাফল্যের শীর্ষে আছে অনেক কালো বর্ণের মানুষ । যারা তাদের যোগ্যতায় এই সাফল্য অর্জন করেছেন। যাদের চাহিদা অনেক বেশি। যেমনঃ আমাদের দেশের টপ মডেল সাদিয়া ইসলাম মৌ বা আজরা, গায়িকা বেবি নাজনীন বা কৃষ্ণকলি। বিখ্যাত মানুষের উদাহরণ: সারাবিশ্বে এমন বহুল আলোচিত ব্যক্তিত্ব আছেন যারা কালো বর্ণের। বিখ্যাত হতে গায়ের রং জরুরি নয়। এর জন্য প্রয়োজন মেধা, চেষ্টা ও দক্ষতা। এসব গুণের সমন্বয় ঘটাতে পারলে জায়গা করে নেওয়া যায় মানুষের মনে। নিজের নামটি প্রতিষ্ঠিত হয় বড় জায়গায়। এমন অনেক কৃষ্ণাঙ্গ রয়েছেন, যারা করেছেন বিশ্বজয়।  প্রথমেই যার নাম বলা যায়- নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। নেলসন ম্যান্ডেলা বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। অনেক সংঘাতের পর তিনি তার দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নেন। ফলশ্রুতিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের অবসান ঘটে।   কন্ডোলিৎসা রাইস- যিনি কন্ডোলিজা রাইস নামেও পরিচিত, পেশাগত জীবনে একজন অধ্যাপক, কূটনীতিক, লেখিকা, ও জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। তিনিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আফ্রো-আমেরিকান নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনিও কিন্তু একজন কালো বর্ণের মানুষ।  কফি আনান- তিনি ছিলেন একজন কূটনীতিবিদ এবং জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব। এছাড়া নেলসন ম্যান্ডেলা প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংগঠন দা এল্ডারস-এর চেয়ারম্যান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। মার্টিন লুথার কিং- মার্টিন লুথার কিং সম্পর্কে নতুন করে আর বলার নেই। সাদার দুনিয়ায় যে কজন কালোর দাপট আজও অগ্রগণ্য তাদের মধ্যে মার্টিনের অবস্থান সবার উপরে। মোহাম্মদ আলী- মোহাম্মদ আলীর নাম উচ্চারিত হলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে একজোড়া গ্লাভস হাতে দানবীয় শক্তির সেই মানুষটির অবয়ব। দুই হাতের কব্জি দিয়ে যিনি দাপিয়ে বেড়িয়েছেন গোটা বিশ্ব।  পেলে– শুধু ব্রাজিল বললে ভুল হবে, বিশ্ব ফুটবলের একজন অন্যতম জীবন্ত কিংবদন্তি তিনি। কালো মানে কি আসলেই অসুন্দর? আল্লাহ তাদের গায়ের রংটা হয়তো কালো করে পাঠিয়েছেন কিন্তু অন্যান্য গুণাবলিতে তারা অনন্য। নিজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলান দেখবেন জীবন টাই বদলে যাবে। আল্লাহ বলেছেন, ‘আর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের ভিন্নতা। নিশ্চয়ই এর মধ্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে জ্ঞানীদের জন্য। (সুরা রুম, আয়াত ২২) অবশ্য আগের তুলনায় এই চিন্তাধারাটি অনেক ক্ষেত্রেই পরিবর্তন হয়েছে। যারা এখনো কালো কে অসুন্দরের প্রতিশব্দ মনে করেন, তাদের বলছিঃ নিজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলান। দেখবেন এই সামান্য পরিবর্তনে আপনার জীবনটা আরো সুন্দর হয়ে উঠবে।

কিভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ এড়ানো সম্ভব?

blog-image-2
পারিবারিক জীবনযাপন শুরু হয়ে থাকে বিয়ের মাধ্যমে। এজন্য বিয়ের আগের ও পরের দৈনন্দিন জীবনে অনেক পরিবর্তন চলে আসে। বিয়ে হয়ে গেলেই যে সব দায়দায়িত্ব শেষ ব্যাপারটা কিন্তু তেমন নয় । দায়িত্বটা বরং বেড়েই যায়। শুধু আবেগ নয়, প্রয়োজন পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, দায়িত্ববোধ ও বিশ্বাস। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, উল্লেখযোগ্য হারে দিন দিন বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদের পরিমাণ। নানাবিধ কারণে হয়ে থাকে ব্যাপারটি। বিয়ের আগের গোপনীয়তা বিয়েটা যেভাবেই হোক, নিজের পছন্দ বা পারিবারিকভাবে, এমন কোন বিষয় গোপন করা উচিত না যেটা পরবর্তীতে জানতে পারলে সমস্যা হতে পারে। যদি কোনোকিছু গোপন করে থাকেন সে জানতে পারলে ভাববে আপনি তাকে ঠকিয়েছেন। এই সমস্যা থেকেই শুরু হয়ে গেল অবিশ্বাস কিংবা অশান্তির সূত্রপাত। বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য এটা একটা বড় কারণ। বিশ্বাসই দাম্পত্য জীবনের মূল ‘চাবিকাঠি’৷ বয়সের সামঞ্জস্যতা ছেলে বা মেয়ে যেই হোক না কেন বিয়ের জন্য কিন্তু উপযুক্ত একটা বয়সও বিশাল ব্যাপার। ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭’ তে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ বছর, ছেলেদের ২১ বছর পাশ করা হয়েছে। বয়স কেন এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ? বয়সের ব্যাপারটা এজন্য এত গুরুত্বপূর্ণ কারণ বিয়ে জন্য শারীরিক এবং মানসিকভাবে দায়িত্ব নেয়ার মতো মানসিকতা থাকতে হবে। একে অপরকে সম্মান করাঃ এটি এমন একটি সম্পর্ক যা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাকে কিভাবে সঠিকভাবে টিকিয়ে রাখা যায় সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত। স্বামী-স্ত্রী দু’জনকেই পরষ্পরের প্রতি ভালবাসতে হবে এবং শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত। ছুটির দিনে সঙ্গীকে সময় দেয়া ইদানীং আমরা ক্যারিয়ার নিয়ে এতো বেশি ভেবে থাকি যে আমাদেরও একটা সংসার আছে সেটা ভুলে যাই। নিজের আপন মানুষগুলাকে সময় না দিয়ে অফিসের কাজ বা মিটিং করে থাকি। ছুটির দিনটাকে পরিবারের জন্য রেখে দিলে দেখবেন কত সুন্দর একটি সময় একসাথে কাটাতে পারছেন। শত ব্যাস্ততার মাঝেও কিছু সময় বের করুন আপনার পরিবারের জন্য। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শারীরিক সম্পর্ক। হাজার ব্যাস্ততার মাঝেও নিয়মিত শারীরিকভাবে নিজেদের সম্পর্ককে গড়ে তুলুন। সম্পর্ক হলো একটা গাছের মতো, যাকে প্রতিদিন পানি দিয়ে যত্ন করতে হয়। ক্ষমা চাওয়ার মানসিকতা ভুল কিন্তু সবারই হতে পারে। তাই স্বামী বা স্ত্রী যদি কোনো ভুল বা অন্যায় করে থাকে, তাহলে সেটা একে-অপরকে জানিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিন৷ কেউ আগে ক্ষমা চাইলেই যে সে ছোট হয়ে যাবে ব্যাপারটি তেমন নয়। দু’জনই দু’জনের প্রতি বিশ্বাস রাখুন৷ সব কথা সবার সামনে না বলা স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ ভুল করতেই পারে। ভুলটা যেই করুক না কেন ফ্যামিলি, বন্ধু-বান্ধব বা বাইরের যে কারো সামনে না বলাই ভাল কারণ পরবর্তীতে স্বামী- স্ত্রীর মধ্যে ৩য় পক্ষ ঢুকে পড়ে যেটা আপনাদের দু’জনের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করে থাকে। সাপোর্ট দেয়া যেকোনো ধরণের সমস্যা সম্মুখীন হলে একে অপরকে সাপোর্ট করুন। সেটা হতে পারে পারিবারিক, আর্থিক, মানসিক, অফিসিয়াল ইত্যাদি। কাজের চাপ, অতিরিক্ত সময় অফিসে থাকা নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করবেন না। বরং দু’জনেই একে অপরের কাজের ক্ষেত্রটা এবং সমস্যা বোঝার চেষ্টা করুন। তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া একসাথে থাকলেই যে শুধু ভালোবাসতে হবে তেমন কিন্তু নয়। মাঝে মাঝে ঝগড়া করলে ভালোবাসাও বাড়ে। ঝগড়া হতেই পারে কিন্তু সেটা তুচ্ছ তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বড় কিছু করে ফেলা না। কিন্তু যখন ঝগড়াটা আর নিজেদের মধ্যে থাকে না তখন হয়ে যায় বিপত্তি। কখনোই নিজেদের বিষয়টি তৃতীয় পক্ষকে জানাবেন না এমনকি বাবার বাড়িতেও না। নিজেদের মধ্যে যতই সমস্যা হোক না কেন বিছানা কখনো আলাদা করবেন না কারণ আস্তে আস্তে এটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে। আরেকটা বিষয় হলো কখনো ঝগড়া হলে কেউ কাউকে বাসা থেকে বের হয়ে বলবেন না বা নিজেও যাবেন না। আর্থিক অবস্থা আর্থিকভাবে অবস্থা আছে কিনা বা কতটুকু সেটা কিন্তু বিয়ের আগেই দেখে নিচ্ছেন। বিয়ে হয়ে গেলে কেন এটা দিতে পারছে না ওটা পারছে না এভাবে বলে তাকে আর ছোট করবেন না। মানিয়ে চলার চেষ্টা করুন। স্বাধীনতা সবারই স্বাধীনভাবে চলার অধিকার আছে, কিন্তু সেটা করারও একটা সীমাবদ্ধতা আছে । স্বামী-স্ত্রী দু’জনকেই দু’জনের সম্মতি নিয়ে কাজ করা উচিত। স্বাধীনতা মানেই কিন্তু অশ্লীলতা নয়। বিশ্বাস করে কেউ কারো স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করে বরঞ্চ বুঝে কাজ করুন। আপনাকেও বুঝতে হবে আপনার সাথে অন্য একজনের জীবন জড়িয়ে আছে। বাবা-মা এবং ছেলে-মেয়ে হিসেবে ভাবুন মেয়েদের ক্ষেত্রে অনেকসময় দেখা যায় যে বিয়ের পরেও ভেবে থাকে তারা এখনও বাবার বাসায় আছে। কিন্তু তাদের যে নতুন একটা দায়িত্ব যোগ হয়েছে সেটা ভুলে গেলে হবে না। শশুর-শাশুড়ি কিন্তু আপনার বাবা-মায়ের মতো। আবার ছেলের বউ চলে এসেছে এখন সব দায়িত্ব বউ এর। এই চিন্তা করা ঠিক নয়, সময় দিন সবকিছুর জন্য। আবার দেখা যায়, মেয়ে জামাই যখন মেয়েকে কাজে সাহায্য করে খুব ভাল লাগে। বাহ আমার মেয়ের কপাল এত ভাল একটা জামাই পেয়েছে। এই কাজটা যখন আপনার ছেলে করে তখন আপনারাই বলে ওঠেন আমার ছেলে আর আগের মত নাই, বউয়ের গোলাম হয়ে গেছে। স্ত্রী যখন চাকুরীজীবী এখনকার অনেক মেয়েরাই চাকুরীজীবী। বিয়ের পর সংসার এবং অফিস দুইটাই সামলানো অনেক কঠিন। বাসায় ফিরে আবার রান্না এবং অন্যান্য কাজ থাকে। স্ত্রীকে সাহায্য করুন আপনার সাধ্যমত। কাজ ভাগাভাগি করে নিন৷ দেখবেন আপনাদের মধ্যকার সম্পর্কের কতটা পরিবর্তন হয়। একে-অপরের প্রশংসা করুন তোমাকে আজ সুন্দর লাগছে বা কাজটা অনেক ভাল করেছো- এই কথাগুলা বলার চেষ্টা করুন। সমালোচনা না করে মাঝে-মধ্যে একে-অপরের প্রশংসা করুন। কখনো তুলনা না করা আমার বন্ধুর বউ ওটা ভাল পারে তুমি কেন পারোনা? আমার কলিগ এর হাজব্যান্ড এত স্মার্ট আর ওর জন্য কি না করে! যখনই আপনাদের সম্পর্কের মধ্যে এমন করে অবহেলা বা তুলনা ব্যাপারটি চলে আসে তখনি বিপত্তি ঘটে। কি দরকার? ভালোইতো আছেন। তুলনা করে কেন নিজেদেরকে ছোট করতে হবে? অনেক সময় এটাও বিবাহ বিচ্ছেদের একটা কারণ হয়ে দাঁড়ায়৷ প্রযুক্তিগত মিডিয়ার খারাপ দিক সবকিছুরই ভালো-মন্দ দিক আছে। প্রযুক্তি আমাদেরকে যেমন সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ঠিক তেমনি পিছনেও টানছে। যেমন মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা সারাবিশ্বের সব তথ্য জানতে পারি ঠিক তেমনি এর খারাপ দিক টাও আছে। ইদানিং দেখা যাচ্ছে পাশ্চাত্য দেশের সিরিয়ালের জন্য ব্যাপকভাবে সংসারে অশান্তি দেখা যায়। জীবনটা কিন্তু টিভি-সিরিয়াল না। বাস্তবতার সাথে সাজানো নাটকের কোনো মিল পাওয়া যাবে না। যখনই নিজের জীবনকে টিভি সিরিয়ালের মতো ভাবতে যাবেন, তখনি কিন্তু বিপত্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। পরকীয়ায় জড়ানো ফেইসবুক, টুইটার, হোয়াটস্যাপ, ভাইভার, ইমো ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য অনেকদিক থেকেই দায়ী। বাড়তি বিনোদনের জন্য অনেকেই নতুন বন্ধুর খোঁজে নিজের বিবাহিত জীবনটিকে দুর্বিষহ করে তুলছেন। অন্য পুরুষ বা মহিলার প্রতি বিয়ের পর আসক্তিকেই পরকীয়া বলা হয়ে থাকে। নানান ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে অনেকেই এই কাজটি করে থাকেন। কিন্তু সমস্যা যদি থাকে এর সমাধানও কিন্তু আছে। অনেকের পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারে। কিন্তু আপনার সমস্যাগুলা পার্টনারকে বুঝিয়ে বলে দেখুননা বাইরের প্রতি আসক্তি নাও হতে পারে। ভয়ংকর এই পরকীয়ার জন্য ঘটে বিবাহ বিচ্ছেদ। আসলে বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ খুঁজলে অনেক কিছুই পাওয়া যাবে। কিন্তু মাঝে মাঝে সংসারের জন্য হলেও ত্যাগ স্বীকার করুন। ডিভোর্স কথাটা খুব ছোট কিন্তু ব্যাপারটা এত সহজ না। এর সাথে শুধু দুইজন মানুষ না, দুইটা পরিবারের সবাই জড়িত। বিয়ের মাধ্যমে নতুন একটি সংসারের যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু সংসার ভাঙনের এই প্রবণতা দিন দিন কেবলই বাড়ছে। যখন পারস্পরিক ভালবাসা ও বিশ্বাস কমে যায়, তখন সেই সংসারের বন্ধন হালকা হয়ে যায় এবং এক পর্যায়ে সংসার ভেঙ্গে যায়। সম্পর্কগুলোকে যত্ন নিন। দু’জন কিছুটা সচেতন ও আগ্রহী হলে বিবাহবিচ্ছেদ আটকানো যেতে পারে৷