ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিয়ে!

আমাদের দেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ইন্টারনেটের ব্যবহার কয়েক বছর আগেও এত ব্যাপক ছিল না। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি বা কিছু প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেট ব্যবহার করতো।
কিন্তু বর্তমানে ২০১৮ সালের শেষ দিকে এসে এখন কিন্তু আর নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠান নয় বরং সারা বাংলাদেশের প্রায় সকল মানুষের কাছে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়টি হল- ইন্টারনেট।
কারন ইন্টারনেটের মাধ্যমে যত সহজে কাজ করা যায় তা অন্য কোন ভাবে সম্ভব নয়।

যার ফলে ইন্টারনেট আজ আমাদের প্রতিদিনের, প্রতি মুহূর্তের জীবন সঙ্গী হয়ে উঠছে।

সকালে আমরা ঘুম থেকে উঠি স্মার্ট ফোনে বেজে উঠা অ্যালার্মের শব্দে, প্রতিদিনের আবহাওয়ার খবর, ফেসবুকে দেখি বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনদের খবর, খেলাধুলা, বিনোদন বা সাম্প্রতিক বিশ্বে কি ঘটছে।
রাস্তায় বের হতেই দু এক মিনিট মধ্যে গাড়ী বা মোটর সাইকেল হাজির পাঠাও, সহজ বা উবার অ্যাপ এর মাধ্যমে; যেন মনে হচ্ছে নিজের বাড়ির গ্যারেজে রাখা নিজস্ব বাহন; আর খুব অল্প সময়ের ভিতরে চলে আসছি নিজ অফিসে।
অফিসে বসে প্রথমেই ওয়েবসাইটের মাধ্যেমে খবরের কাগজ থেকে জেনে নিচ্ছি সব খবর। এভাবে ইন্টারনেট যেন আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে উঠছে।

আসুন, আমরা ইন্টারনেট এর ব্যবহার নিয়ে কয়েকটি ঘটনা শুনি যা প্রতিদিন ঘটছে,

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিয়ে | biyetaঘটনা-১ ২০১৮ সালে এসে একজন স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারী- মুহূর্তের মধ্যে দুপুরের খাবারের অর্ডার দিচ্ছে আর অল্প সময়ের মধ্যেই একজন এসে হুবুহু সেই খাবার নিয়ে হাজির হচ্ছে, আর এই ঘটনায় কেউ অবাক হচ্ছেনা। একই বিল দিয়ে সেই খাবার নিজের অফিসের টেবিলে বসে খাচ্ছেন যে খাবার খেতে হলে সময় ব্যয় করে ঐ রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেতে হত। কিন্তু ইন্টারনেট এর ব্যবহার এর মাধ্যমে সেই খাবার নিজের টেবিলে এসে উপস্থিত হচ্ছে।

 

ঘটনা-২ঃ ছুটির দিন! খুব ঘুমাতে ইচ্ছে করছে কিন্তু সকাল হতে না হতেই বাজারের লিস্ট হাজির আপনার বিছানার পাশে। কিন্তু ঘুম ছাড়ছেনা, আর ঘুমানোর পর দুইটি বই এনেছেন পড়ার জন্য। আর বিকালে যাবেন ঘু্রতে। কিন্তু বাজারে গেলে ঘুমও হবেনা আবার বই পড়া বা বিকালে ঘুরতে যাওয়া কোনটাই ভালমত হবেনা। তাই আর কি করা বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েই চাল ডাল বা মীনা ক্লিক এর মতন অনলাইন গ্রোসারী শপকে আপনার বাজারের তালিকা জানিয়ে দিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়লেন। পেমেন্ট করে দিলেন মোবাইল থেকেই ক্রেডিট কার্ড এর মাধ্যমে।

ঘটনা- ৩ঃ অনার্স শেষ করে বাবার সাথে নিজেদের দোকানে বসছেন আশিকুর রহমান। কিন্তু এসব কাজ তার ভাল লাগেনা। চাকুরি খোঁজা দরকার কিন্তু হাতে পর্যাপ্ত সময় নেই, কারণ দোকানের কাজের পাশাপাশি সে টিউশনি করে। সব মিলিয়ে তার ইনকাম মন্দ না, তবে চাকুরি না হলে কি হয়? আর তাই সে তার স্মার্ট ফোন দিয়ে বিডিজবস এ একাউন্ট ওপেন করে রাখলো। এভাবে ২/১ মাসের মধ্যে সে কয়েকটি ইন্টারভিউ দিয়ে একদিন তার পছন্দমত জবে জয়েন করলো। বাংলাদেশে বর্তমানে এভাবেই জব হচ্ছে বেশির ভাগ।

ফেসবুকের মাধ্যমে নিজের প্রিয়জনদের খুঁজে পাচ্ছি প্রতিদিন যার সাথে শেষ যোগাযোগ হয়েছিল ১০ বা ১৫ বছর আগে।
মোবাইলে অ্যাপ ব্যবহার করে আমরা আনন্দ বোধ করি। অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে কোন কাজ করতে পারলে একে অপরকে বলে বেড়াই।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিয়ে | Biyetaইন্টারনেটের মাধ্যমে বিয়ে হয়েছে- এই কথাটি বলতে কেন সংকোচবোধ করছি?
এতে লজ্জিত হওয়ার কি আছে?

আমার বিয়ে বিয়েটা ডট কমের মাধ্যমে হয়েছে। আমার বিয়ে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে হয়েছে- একথা বলার দ্বারা আমার মান সম্মান কমবে বলে মনে হয়না।

প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত গতিতে বাড়ছে। বিয়ের মত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ও সময়সাপেক্ষ কাজ এখন প্রযুক্তি সহজ করে দিচ্ছে। ব্যস্ততার এই যুগে, অল্প সময়ে হাজার হাজার পাত্র/ পাত্রীর সাথে যোগাযোগের সহজ মাধ্যম biyeta.com।

অতএব চলুন আমরাই আমাদের দেশীয় ওয়েব ও মোবাইল অ্যাপ বিয়েটা ব্যবহার, প্রচার ও প্রসার করি।

Marriage via Internet | Biyeta

Share on

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.